এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

বাড়িতে মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন আয়ুষ চিকিৎসকেরাও,বড় নির্দেশিকা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

By Eaibanglai - October 09, 2026
— Advertisement —
Advertisement
বাড়িতে মৃত্যুর শংসাপত্র দিতে পারবেন আয়ুষ চিকিৎসকেরাও,বড় নির্দেশিকা রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- বাড়িতে বা হাসপাতালের বাইরে কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে তাঁর মৃত্যুর কারণের শংসাপত্র কে দিতে পারবেন—এই নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা এক বড় অস্পষ্টতার অবসান ঘটাল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। দফতর স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছে, সুনির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করলে অ্যালোপ্যাথি (MBBS) চিকিৎসকদের পাশাপাশি এ বার থেকে হোমিয়োপ্যাথি এবং ভারতীয় চিকিৎসা পদ্ধতির (আয়ুষ/AYUSH) যোগ্য চিকিৎসকেরাও এই শংসাপত্র দেওয়ার আইনি অধিকারী। গত বুধবার, ৭ই অক্টোবর, রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের অধীনস্থ ‘স্টেট ব্যুরো অফ হেল্‌থ ইন্টেলিজেন্স’ থেকে এই বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

সম্প্রতি বিজ্ঞাপিত ‘পশ্চিমবঙ্গের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন (সংশোধনী) বিধি, ২০২৬’-এর ৫(৪) নম্বর উপবিধিতে ব্যবহৃত একটি শব্দবন্ধ নিয়ে জেলা স্তরের প্রশাসনিক আধিকারিক ও চিকিৎসকদের একাংশের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল। সেই বিভ্রান্তি দূর করতেই এই কড়া ও স্পষ্ট পদক্ষেপ করল স্বাস্থ্য ভবন।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে- যে সমস্ত আয়ুষ চিকিৎসকদের পশ্চিমবঙ্গের স্টেট রেজিস্টারে বৈধ নাম নথিভুক্ত রয়েছে এবং যাঁরা আইনত চিকিৎসা করার অধিকারী, তাঁরাই একমাত্র এই শংসাপত্র ইস্যু করতে পারবেন। এই অধিকার কোনো চিকিৎসকের ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রযোজ্য হবে না। মৃত্যুর শংসাপত্র দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের স্বীকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা, সক্রিয় ও বৈধ রেজিস্ট্রেশন এবং আইনি অনুমোদন থাকা আবশ্যিক। 

১৯৬৯ সালের মূল ‘জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন’ এবং ২০২৩ সালের সংশোধনী আইনের ১০ নম্বর ধারাকে ভিত্তি করে এই স্পষ্টীকরণ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের ব্যাখ্যা, যোগ্যতার মাপকাঠি বিচারের সময় আইনের কোনো শব্দবন্ধকে বিচ্ছিন্নভাবে না দেখে, ওই চিকিৎসকের সামগ্রিক আইনি স্বীকৃতি ও যোগ্যতা বিবেচনা করতে হবে।

রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর এই নির্দেশিকাটি রাজ্যের সমস্ত পুরনিগমের মিউনিসিপ্যাল কমিশনার, সমস্ত জেলার ডিস্ট্রিক্ট রেজিস্ট্রার এবং জেলাশাসকদের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের কাজে যুক্ত মাঠ পর্যায়ের সমস্ত সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে রাজ্য জুড়ে এই অভিন্ন ব্যাখ্যা মেনে একই নিয়মে কাজ করা হয়। 

রাজ্যের এই বড় সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার আগেই বাড়িতে কারও মৃত্যু হলে, তাঁর আত্মীয়দের মৃত্যুর কারণের শংসাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট জোগাড় করতে আর হয়রানির শিকার হতে হবে না। গ্রামীণ ও শহরতলির বিস্তীর্ণ এলাকায় যেখানে আয়ুষ চিকিৎসকদের বড় ভূমিকা রয়েছে, সেখানে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই লাঘব হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement