সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- আইআইআর-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে রাজ্য জুড়ে চলছে শুনানি। আর এই শুনানি নিয়ে নানারকম অভিযোগ সামনে আসছে। আসানসোলের সালানপুর ব্লকের শুনানি কেন্দ্রে কনকনে ঠাণ্ডায় রাত পর্যন্ত চলছে শুনানি। ফলে রাত পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। অন্যদিকে কমিশনের আধিকারকিদেরও রাত পর্যন্ত কাজ করতে হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, গত ২৭ ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই শুনানি পর্ব সালানপুর ব্লকের দুটি জায়গায় চলছে। রূপনারায়ণপুর আইটিআই এবং বিডিও অফিসে। প্রতিদিনই ব্যাপক ভিড় হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে এখানে ৬ জন এইআরও এবং একজন আরও শুনানির চূড়ান্ত পর্যায়টি সামলাচ্ছেন। দিন প্রতি গড়ে প্রতি আধিকারিকের কাছে দেড়শো জনের শুনানি হচ্ছে। এদিকে কমিশ সূত্রে জানা গেছে শুনানিতে ডাক পাওয়া বেশিরভাগ ব্যক্তিই যথাযথ নথি নিয়ে আসছেন না। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারা সাধারণভাবে আধার প্যান ভোটার কার্ড ইত্যাদি নিয়ে উপস্থিত হচ্ছেন শুনানি কেন্দ্রে। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এইসব নথি সাধারণভাবে গ্রাহ্য হলেও শুনানিতে এগুলির সঙ্গেই প্রয়োজন বার্থ সার্টিফিকেট কিংবা স্কুলের বোর্ড স্বীকৃত সার্টিফিকেট বা পাসপোর্ট অথবা ১৯৮৭ সালের আগের কোন পারিবারিক ডকুমেন্ট ইত্যাদি। কিন্তু এইসব নথির কোন একটিও নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে না আসায় তাদের ফেরত যেতে হচ্ছে বাড়িতে এবং পুনরায় তারা সেইসব নথি নিয়ে শুনানি কেন্দ্রে হাজির হচ্ছেন ফলে যথেষ্ট দেরীর কবলে পড়তে হচ্ছে কমিশনের কর্তা ব্যক্তিদের সঙ্গেই শুনানিতে ডাক পাওয়া ভোটারদেরও।
এ বিষয়ে সালানপুর ব্লক কর্তৃপক্ষ শুনানিতে ডাক পাওয়া ব্যক্তিদের কাছে অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন তারা যেন আধার প্যান ভোটার কার্ড ইত্যাদির সঙ্গেই নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত ১৩ টি নথির যেকোনো একটি অবশ্যই সঙ্গে আনেন। তাহলে সকলেরই হয়রানি কম হবে।
জানা গেছে যেসব ব্যক্তি নিশ্চিত ভাবে সঠিক ডকুমেন্ট পেশ করতে পারছেন তাদের নাম চূড়ান্ত তালিকার জন্য সঙ্গে সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে, বাকিদের বিষয়গুলি হোল্ডে রাখা হচ্ছে পরবর্তী বিবেচনার জন্য।


















