সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- গতকাল আসানসোলের কুলটি থানার বড়িরা এলাকার বিসিসিএল বা ভারত কোকিং কোল লিমিটেডের দামাগড়িয়া খোলামুখ কয়লা খনিতে অবৈধভাবে কয়লা কাটতে গিয়ে ধসে চাপা পড়ে মৃত্যু হয় এক মহিলা সহ তিনজনের। গুরুতর জখম হন দুজন। ওই ঘটনার পর এবার এলাকায় সতেতনতা কর্মসূচি শুরু করল বিসিসিএলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সিআইএসএফ।
এদিন কুলটি থানার চৌরাঙ্গী ফাঁড়ির ইনচার্জ কার্ত্তিক ভূঁই এবং সিআইএসএফের আধিকারিকরা খনি সংলগ্ন এলাকায় ঘুরে ঘরে মানুষকে সচেতন করেন। তাঁরা বলেন, খনিটি বিপজ্জনক অবস্থায় রয়েছে। কেউ খনিতে প্রবেশ করবেন না, কেই যেতে গেলে তাকেও বারণ করবেন। কারণ যে কোন সময় গতকালের মতো ধসে চাপা পড়ে মৃত্যুর ঘটনা ঘটতে পারে।
যদিও স্থানীয়দের একাংশের প্রশ্ন নিরাপত্তার চোখ এড়িয়ে কীভাবে খোলামুখ খনিতে প্রবেশ করে অবৈধভাবে কয়লা কাটার কাজ চলে। অনেকে আবার দাবি করেছেন পুলিশ প্রশাসন ও নিরাপত্তা রক্ষীদের চোখের সামনেই চলে কয়লার এই অবৈধ কারবার। কারণ ওই খনি থেকে অবৈধ কয়লা নিয়ে প্রতিদিনই শয়ে শয়ে মোটর সাইকেল এলাকায় প্রকাশ্যে চলাচল করে। তা কীভাবে নজর এড়ায় পুলিশ প্রশাসন ও সিআইএসএফের।
অন্যদিকে গতকালের দুর্ঘটনার পর খনি এলাকায় কুলটি থানা ও সিআইএসএফের কোনো বড় আধিকারিকের দেখা মেলেনি বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকি ঘটনায় নিহত তিনজনের দেহর ময়নাতদন্ত করা হয়নি।
যদিও দামাগড়িয়া প্রজেক্ট ডিরেক্টর ধর্মেন্দ্র তিওয়ারি গতকালের দুর্ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, “কয়লাখনির ওই এলাকায় কাউকে না যেতে দেওয়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হয়। মঙ্গলবারের দুর্ঘটনার স্থানে কাঁটাতারের বেড়া এবং ৫০ ফুট উঁচু দেয়াল রয়েছে। তারপরেও, লোকেরা কীভাবে সেখানে লোকজন ঢুকে পড়লতা তদন্ত করে দেখা হবে।”


















