সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- পশ্চিমবঙ্গে আসআইআর ফর্ম-৭ বা আপত্তি ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। মৃত বা স্থানান্তরিতদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম-৭ পূরণ করা হয়। এদিকে এসআইআর-এর আপত্তি ফর্ম জমা করা নিয়ে বারংবার উত্তপ্ত হয়েছে বাঁকুড়া। উঠেছে বাধার অভিযোগ। এরপরই ফর্ম জমা দেওয়ার সময় সীমা বাড়িয়েছে কমিশন। যদিও শনি-রবি দুটি ছুটির দিন থাকায় ফর্ম জমা দেওয়া নিয়ে উদ্বেগ কাটছে না বিজেপি জেলা নেতৃত্বের। তাই শনিবার বিষয়টি নিয়ে বাঁকুড়া জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হন বিজেপির বিধায়ক দল।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাঁকুড়ার খাতড়ায় মহকুমা শাসকের দফতরে ওই ফর্ম জমা করতে গেলে বিজেপি কর্মীদের হেনস্থার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাতে জোরদার চাপানউতোর শুরু হয় এলাকায়। আবার ছাতনা বিডিও অফিসে ৭ নম্বর ফর্ম জমা করতে গিয়ে ছাতনার বিজেপি বিধায়ক সত্যনারায়ণ গোস্বামীকেও হেনস্থা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশন ৭ নম্বর ফর্ম জমা করার সময়সীমা আরও ৪ দিন বাড়িয়ে শেষ দিন সোমবার করে দেয়।
যদিও বর্ধিত ৪ দিনের মধ্যে আবার শনি ও রবি এই দু’দিন ছুটি থাকায় ফর্ম জমা করার সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে সোমবারই ৭ নম্বর ফর্ম জমা করার শেষ দিন। তাই সবটা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করে এদিন বাঁকুড়ার জেলা শাসকের দফতরে হাজির হন বাঁকুড়ার বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানা। সঙ্গে ছিলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি ও ছাতনার বিধায়ক সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। জেলা শাসকের দেখা না পেয়ে অতিরিক্ত জেলা শাসকের সঙ্গে দেখা করে এ ব্যাপারে দীর্ঘ আলোচনা করেন বিধায়কেরা। পরে অতিরিক্ত জেলা শাসকের কাছে আশ্বাস পেয়ে জেলাশাসকের দফতর থেকে বেরিয়ে আসেন তাঁরা। তবে সোমবারের মধ্যে সব ৭ নম্বর ফর্ম জমা করতে না পারলে আগামীদিনে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা।


















