নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- আগামীকাল ১৮ ফেব্রুয়ারি নদিয়ার মায়াপুরে ইসকনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিকে তাঁর বঙ্গ সফরের আগে তাঁকে নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গেল দুর্গাপুরের সাংসদ কীর্তি আজাদের গলায়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে বর্ষার ব্যাঙ বলে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, ” বর্ষায় ব্যাঙ ডাকে আর নির্বাচনের সময় বিজেপির ব্যাঙ বঙ্গে এসে টর-টর করে।”
প্রসঙ্গত গতকাল সিটিসেন্টারে ভগৎ সিং ক্রীড়াঙ্গনে যুব সাথী প্রকল্পের শিবির প্রদর্শন করেন সাংসদ। সেখানে তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বেকার যুবক-যুবতীদের সাথে কথা বলেন। তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা সেগুলিও শোনেন। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ,”এই প্রকল্পের মাধ্যমে বেকাররা সাহায্য পাবে। ফলে চাকরির পরীক্ষার প্রস্তুতি এবং বাইকের জ্বালানির খরচ বহন করা যাবে। সেই জন্যই এত ভিড় দেখা যাচ্ছে প্রত্যেক শিবিরে। আর কেন্দ্রের বিজেপি সরকার একসময় বলেছিলেন ২৪ কোটি বেকার যুবক যুবতীদের চাকরি দেবে। স্মার্ট সিটি বানানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও তা পূরণ করতে পারেনি ওঁরা। কাজ তো দিতেই পারেনি উল্টে একের পর এক কেন্দ্রীয় সংস্থা বন্ধ করে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভারতবর্ষের প্রতিটি মানুষকে ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই টাকা কারোর একাউন্টে ঢোকেনি। প্রতিশ্রুতি থেকে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ভারতবর্ষের বেকার যুবক-যুবতীদের কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন কিন্তু একজনও কাজ পায়নি। ওরা সব মিথ্যা কথা বলে। কিন্তু বাংলার সরকার জনদরদি। মানুষের পাশে থেকে মানুষের কথা ভাবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে একের পর এক জনমুখী প্রকল্প মানুষের মন কেড়েছে। বেকার যুবক-যুবতীদের কথা ভেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুরু করেছেন যুব সাথী প্রকল্প। আর ভোটের সময় ওরা বাংলায় আসে। ভোটের সময় নরেন্দ্র মোদি দাঁড়ি রেখে নিজেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভাবেন। আর অমিত শাহ বর্ষার ব্যাঙের মতো বাংলায় আসেন।”
এদিন যুব সাথী প্রকল্পের শিবির প্রদর্শনের পাশাপাশি দুর্গাপুরের ইস্পাত নগরীর বোকারো হোস্টেলও পরিদর্শন করেন সাংসদ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মহকুমা শাসক সুমন বিশ্বাস, নগর নিগমের কমিশনার আবুল কালাম আজাদ ইসলাম ও তৃণমূল ব্লক সভাপতি উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায়, রাজীব ঘোষ ও সিপুল সাহা।



















