eaibanglai
Homeএই বাংলায়প্রয়াত সম্পাদিকার স্মরণে বিশেষ উদ্যোগ দুর্গাপুর স্পন্দনের

প্রয়াত সম্পাদিকার স্মরণে বিশেষ উদ্যোগ দুর্গাপুর স্পন্দনের

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- নানান সামাজিক সেবা মূলক কাজের জন্য পরিচিত দুর্গাপুরের সমাজসেবী সংগঠন “দুর্গাপুর স্পন্দন”। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি ছিল দুর্গাপুর স্পন্দনের প্রয়াত সম্পাদিকা সাধনা গাঙ্গুলীর প্রায়ন দিবস। এই দিনটি কাঁকসার রুপগঞ্জ গ্রামের আড়াই চাঁদ আদিবাসী শিশু শিক্ষা কেন্দ্রের ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে বিশেষভাবে কাটালেন সংগঠনের সদস্যরা।

আয়োজন করা হয়েছিল ছোট্ট অনুষ্ঠানের, যেখানে প্রথমেই সংগঠনের প্রয়াত সম্পাদিকা সাধনা গাঙ্গুলীর প্রতিকৃতিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দুর্গাপুর স্পন্দনের সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক তুষার গঙ্গোপাধ্যায়, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা কাজল চ্যাটার্জী, সাধনা দেবীর পুত্র অরিত্র ও পুত্রবধূ কঙ্কনা, সাংবাদিক সনত ব্যানার্জি সমাজসেবী কাঞ্চন রায় ও স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা। এরপর দুর্গাপুর স্পন্দনের তরফে স্কুলের প্রতিটি শিশুর হাতে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সামগ্রীর একটি সুদৃশ্য কিট ও কিছু খাদ্যদ্রব্য তুলে দেওয়া হয়। এছাড়া স্কুলের মধ্যাহ্ন ভোজে মাংস মিষ্টান্ন সহ লোভনীয় মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়েছিল সংগঠনের তরফে।

উল্লেখ্য সাধনাদেবী দুর্গাপুর স্পন্দনের সম্পাদিকার পাশাপাশি কলকাতার প্রখ্যাত চিকিৎসক অশোক প্রধানের নেতৃত্বাধীন ইনস্টিটিউট অফ হাইড রিসার্চ এন্ড এডুকেশনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। এদিন তাঁর প্রয়ান দিবসে দূরভাষে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন প্রখ্যাত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ও ইনস্টিটিউট অফ হাইড রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশনের সভাপতি অশোক প্রধান। তিনি সাধনা দেবীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁর সমাজ ভাবনাকে আজও বয়ে নিয়ে চলার জন্য দুর্গাপুর স্পন্দনের শুভ উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানান।

এদিন সংগঠনের সম্পাদক তুষার গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “সাধনা ছিল আমার জীবন সঙ্গিনী ও স্পন্দনের সম্পাদিকা। তাঁর মৃত্যুর সময় আমার পুত্রের বয়স ছিল মাত্র ১০ বছর। স্বাভাবিকভাবেই এই অকাল মৃত্যু আমাদের পরিবারের উপর আকাশ ভেঙ্গে পড়েছিল। তবে সাহস সততা ও ধৈর্যের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা চালিয়েছি। আজ পুত্র আপন যোগ্যতায় প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।স্পন্দনের সামাজিক কাজও সমানভাবে চলছে।” এর পাশাপাশি আগামী বছর সাধনাদেবীর মৃত্যুর ২৫ বছর পূর্তিতে তাঁর স্বপ্নের দুর্গাপুর স্পন্দন আরো বৃহত্তর কর্মসূচির আংশীদার হবে এবং আরও বেশি প্রান্তিক মানুষের মঙ্গলকাজে এগিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

অন্যিদকে দুর্গাপুর স্পন্দনের এদিনের এই মহতি উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments