eaibanglai
Homeএই বাংলায়পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরির দুদিনের মধ্যে উঠছে চাঙর! দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিজেপি

পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরির দুদিনের মধ্যে উঠছে চাঙর! দুর্নীতির অভিযোগে সরব বিজেপি

সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- রাজ্যের পথশ্রী প্রকল্পে গ্রাম থেকে শহর, বিভিন্ন জায়গায় বেহাল রাস্তার সংস্কারের পাশাপাশি নতুন রাস্তা তৈরির কাজ হচ্ছে। কোথাও কংক্রিটের কাজ আবার কোথাও পিচের কাজ। পথশ্রী প্রকল্পে রাস্তা তৈরির কাজ চলছে গলসী-১ নং ব্লকের বুদবুদেও। কিন্তু এখানে নিম্ন মানের সামগ্রী দিয়ে রাস্তা তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ফলে রাস্তা তৈরির দুদিনের মধ্যেই রাস্তা দিয়ে চাঙর উঠতে শুরু করেছে। বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।

সম্প্রতি বুদবুদের বুদবুদ গার্লস স্কুল থেকে সুকান্তনগর পর্যন্ত এমসি-৩ ক্যানেল পাড়ের কংক্রিটের রাস্তার ওপর ২০ এমএম এর দুটি স্তর পিচকরনের অনুমোদন হয়। পথশ্রী প্রকল্পে এই রাস্তার জন্য প্রায় ৯ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়। সেই মতো কাজের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় এক বেসরকারী ঠিকা সংস্থা কাজের বরাত পায়। পিচকরনের প্রথম স্তরে কংক্রিটের ওপর তরল পিচ ছড়ানো হয়। তাতে পিচ (বিটুমিন) ও পাথরের সংমিশ্রন কংক্রিটকে ধরে রাখে। অভিযোগ ওই তরল পিচে যে সামগ্রীর মেশানো হয়েছে, তাতেই কারচুপি হয়েছে। তরল পিচের বদলে জলের সঙ্গে অন্য কোন তরল মেশানো হয়েছে। তার ওপর পাথর ও পিচের মিশ্রন বসানো হয়েছে। তার ফলে নির্মানে ২-৩ দিনের মধ্যে বেমালুম চাঙড় উঠে পড়ছে রাস্তা দিয়ে। আর তাতেই রাস্তার টেকসই নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান,” এই রাস্তাটি খুবই ব্যাস্ততম। মোটরবাইক, ছোটো চারচাকা ছাড়াও ট্রাক্টরও যাতায়াত করে। তাই পিচের স্তর আরও পুরু হওয়া দরকার ছিল। এবং কংক্রিটের ওপর তরল পিচ ভালো করে ছড়িয়ে কাজ করা দরকার ছিল।”

বিজেপির দুর্গাপুর-বর্ধমান সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি রমন শর্মা বলেন,” সরকারি টাকার অপচয় হচ্ছে। পথশ্রীতে রাস্তার উন্নয়নের নামে মানুষকে বোকা বানানো হচ্ছে। যেভাবে পিচকরনের কাজ হয়েছে, তাতে আগামী বর্ষাকালের পরই বেহাল হয়ে পড়বে রাস্তাটি। টেকসই হবে না। এমনকি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়বে। আমাদের মনে হয় ওই কাজে দুর্নীতি হয়েছে। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”

যদিও এবিষয়ে বরাত পাওয়া ঠিকাদার রাজীব পাল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,” সম্পূর্ন মিথ্যা অভিযোগ। উন্নতমানের কাজ হয়েছে।”

অন্যদিকে গলসী-১ বিডিও ইন্দ্রজিৎ মারিক জানিয়েছেন তিনি অভিযোগ পেয়েছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments