সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- একজন ব্যক্তি প্রশ্ন করেছেন,‘ কুণ্ডলিনী জাগ্রত হলে কিরকম অনুভূতি হয়? আসনে না বসে কাজের মধ্যে কি অনুভূতি হতে পারে?’ স্বামী সোমেশ্বরানন্দ মহারাজ এর উত্তরে বলেছেন,“কুণ্ডলিনী নিয়ে চর্চা শুধু তন্ত্রে। জ্ঞান, ভক্তি বা যোগে এ নেই। যোগে ৭ চক্রের কথা থাকলেও কুণ্ডলিনীর উল্লেখ নেই। অতএব যারা তন্ত্রপথে সাধনা করেন তাদের কাছেই এ গুরুত্বপূর্ণ। এই শক্তি শুধু সাধনায় জাগে না, তীব্র ভয়েও জাগে, চরম হতাশায়, অসীম আনন্দেও। কোনো কারণে মনে প্রচন্ড ধাক্কা লাগলে এ জাগে। পরে আবার চুপ করে যায়। আর এই অবস্থাতে শক্তি জেগে উঠলেও সাধকের কন্ট্রোল থাকে না এর উপর। কিন্তু বিশেষ সাধনায় জেগে উঠলে সাধক তাকে ইচ্ছানুসারে চালাতে পারেন।”
কুণ্ডলিনী জেগে উঠলে কী হয় তাও বলেছেন মহারাজ, মহারাজের কথায়,“কুণ্ডলিনী জেগে উঠলে প্রথম অবস্থায় শরীরে অস্বস্তি হয়, মনে বিভ্রান্তি আসে, কাম ক্রোধ বাড়তে পারে। মেরুদণ্ডের মধ্য দিয়ে একটা ছুরি যেন কাটতে কাটতে উপরদিকে যাচ্ছে, এমন অনুভূতিও হয়। এই শক্তি জেগে বা উপরে উঠে আবার নেমে যেতে পারে বলে সাধক বুঝতে পারেন না কি করবেন। এজন্য গুরু বা অভিজ্ঞ শিক্ষকের দরকার হয়। ব্যালেন্সড অবস্থা আসতে সময় লাগে, সাধনা করে যেতে হয়।”



















