eaibanglai
Homeএই বাংলায়জনসংযোগে গিয়ে ক্ষোভের মুখে দুর্গাপুরের বিজেপি বিধায়ক

জনসংযোগে গিয়ে ক্ষোভের মুখে দুর্গাপুরের বিজেপি বিধায়ক

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- “আগে আন্ডারপাস করুন তবেই হাত মেলাবো”, জনসংযোগে গিয়ে এভাবেই স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়তে হল দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ককে। আর যা নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা গেল তৃণমূলের মন্ত্রীর গলায়।

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা না হলেও ইতিমধ্যে ভোটের ময়দানে নেমে পড়েছে সব রাজনৈতিক দল। নিজ নিজ বিধানসভা এলাকায় জনসংযোগ শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী বিধায়করা। দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইও তার বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত যাচ্ছেন, কথা বলছেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। শনিবার সকালে দুর্গাপুরের ফরিদপুর এলাকায় পৌঁছে যান বিধায়ক। এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নের পত্র তুলে দিচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু এলাকার মানুষদের সঙ্গে জনসংযোগ করতে গিয়ে ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় তাকে।

বিধায়ককে কাছে পেয়ে এলাকার মানুষজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ফরিদপুর এলাকার পাশ হয়েই চলে গেছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক। নেই কোন আন্ডার পাস। তাই দুর্ঘটনার মুখেও পড়তে হয় এলাকার বাসিন্দাদের। দুর্ঘটনা এড়াতে দু কিলোমিটার ঘুরপথে যাতায়াত করতে হয়। একাধিকবার আন্ডার পাস করার দাবি তোলা হলেও কোন কাজ হয়নি।” তখনই বিধায়কের পাশ থেকে বিজেপির এক কর্মী বলে ওঠেন,”আপনারা আবেদন করুন।” পাল্টা এলাকার মানুষজন অভিযোগ করেন, “আপনারা কি করছেন তাহলে? আপনারা জানাননি কেন?” তারপরেই এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার ঘোষ ক্ষুব্ধ হয়ে বিধায়ককে বলেন, “আগে আন্ডারপাস করার কথা বলুন তারপর হাত মেলাবো।” বিষয়টি নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিধায়কের সঙ্গে বাদানুবাদ চলে।

অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কের ক্ষোভের মুখে পড়া নিয়ে কটাক্ষের সুর শোনা যায় রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের গলায়। তিনি বলেন,”সাড়ে চার বছরে যে কিছুই কাজ করেননি লক্ষণবাবু তা আবারো প্রমাণ হল। কারণ জাতীয় সড়ক হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের। সেইখানে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আন্ডারপাস করে দিতে পারেননি তিনি। মানুষ বুঝতে পারছে তাই প্রতিবাদ করছে।”

যদিও বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘরুই পাল্টা দাবি করে বলেন,” আমার নিজের টাকা থেকে উন্নয়নের কাজ করেছি। দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক যাদের সার্টিফিকেট দেননি তাদেরকেও সার্টিফিকেট দিয়েছি। ২০২৬-এ বিজেপি আসছে, মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে।”

ভোটের ঘণ্টা এখনও বাজেনি। তার আগেই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে রীতিমতো রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে শিল্পশহরে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments