সংবাদদাতা,বাঁকুড়া, আসানসোলঃ- শুক্রবার প্রকাশিত হল মাধ্যমিকের ফল। এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ। মেধাতালিকায় প্রথম দশে জায়গা করে নিয়েছে ১৩১ জন পড়ুয়া। এর মধ্যে ১০৩ জন ছাত্র ও ২৮ জন ছাত্রী। প্রতিবারের মতো এবারও জেলার ছাত্র ছাত্রীদের ফল নজর কেড়েছে। মেধা তালিকায় উঠে এসেছে বাঁকুড়া ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার নাম। ৬৯৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থান অর্জন করেছে বাঁকুড়ার ক্রিশ্চান কলেজিয়েট স্কুলের ছাত্র মৈনাক মণ্ডল। ৬৮৮ নম্বর পেয়ে দশম স্থান উঠে এসেছে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের ছাত্র অভিষেক দাসের নাম।
মেধাতালিকায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে জেলার মুখ উজ্জ্বল করেছে মৈনাক। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই পরিবার, স্কুল ও জেলাজুড়ে খুশির আবহ। স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, পড়াশোনার প্রতি ছোট থেকেই অত্যন্ত মনোযোগী ছিল মৈনাক। নিয়মিত অধ্যবসায় ও শিক্ষকদের পরামর্শ মেনেই এই সাফল্য এসেছে বলে মনে করছেন শিক্ষকরা। মৈনাকের এই সাফল্যে গর্বিত পরিবার-পরিজন থেকে শুরু করে স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকা এবং সহপাঠীরাও। ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের লক্ষ্যে এগিয়ে যেতে চায় সে।
অন্যদিকে আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের অভিষেক দশম স্থান পেয়ে জেলার মধ্যে নজর কেড়েছে। আসানসোলের শহীদ সুকুমার পল্লীর বাসিন্দা অভিষেকের বাবা অসিত দাস বেসরকারি ডিস্ট্রিবিউটরের অধীনে পণ্য সামগ্রী ডেলিভারির কাজ করেন। মা ঝুমা দাস গৃহবধূ। বাবা-মায়ের পাশাপাশি অভিষেকের এই সাফল্যে খুশি পরিবারের অন্য সদস্য ও এলাকার বাসিন্দারা । ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়ার জন্য অভিষেক মেডিকেল সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করার প্রস্তুতি নিয়েছে। অভিষেকের এই রেজাল্টে স্বাভাবিক ভাবেই খুশি আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের মহারাজেরা।
এবারের মাধ্যমিক পরীক্ষায় ৬৯৮ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছে উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ ভদ্র। ৬৯৬ নম্বর পেয়ে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বীরভূমের প্রিয়তোষ মুখোপাধ্যায়। ৬৯৫ নম্বর পেয়ে তৃতীয় স্থানে বাঁকুড়ার মৈনাক ছাড়াও রয়েছে জেলার আরও দুজন- দক্ষিণ ২৪ পরগনার সৌর জানা ও পূর্ব মেদিনীপুরের অঙ্কন কুমার জানা।
এ বছর মাধ্যমিক পরীক্ষায় সব থেকে বেশি পাশের হার কালিম্পঙ ৯৫. ১০ শতাংশ । তার পর পূর্ব মেদিনীপুর, পাশের হার ৯৪.৮২ শতাংশ।


















