এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

আসানসোলে বিজেপির 'ভাইরাল চিঠি' ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, জল্পনা ওড়াল গেরুয়া শিবির

By Eaibanglai - September 07, 2026
— Advertisement —
Advertisement
আসানসোলে বিজেপির 'ভাইরাল চিঠি' ঘিরে রাজনৈতিক তরজা, জল্পনা ওড়াল গেরুয়া শিবির

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ-  আসানসোলে বিজেপির একটি ‘ভাইরাল চিঠি’ ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। আসানসোল সাংগঠনিক জেলা বিজেপির দক্ষিণ মণ্ডল-১ এর সভাপতি সোমনাথ মণ্ডলের নাম এবং লেটারহেড ব্যবহার করে এই চিঠিটি জারি করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা ওই কথিত চিঠিতে লেখা রয়েছে, "থানা ও হাসপাতাল সংক্রান্ত যে ব্যক্তিদের নাম এবং দায়িত্ব আগে ঘোষণা করা হয়েছিল, সেই ঘোষণা তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করা হল। আগে দায়িত্ব পাওয়া কর্মীরা এখন থেকে সংশ্লিষ্ট থানা বা হাসপাতালের সঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে সমন্বয়ের জন্য অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে বিবেচিত হবেন না।"

এর আগে সামনে আসা তথ্যে দাবি করা হয়েছিল, আসানসোল দক্ষিণ পিপি এবং হিরাপুর থানার জন্য আলাদা আলাদা বিজেপি প্রতিনিধির নাম দেওয়া হয়েছিল, যারা সংশ্লিষ্ট পুলিশ ইউনিটের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সংলাপ ও সমন্বয় করার দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে এই সমস্ত দায়িত্ব প্রত্যাহার করার কথা বলা হয়। চিঠিতে থানা এবং হাসপাতালে বিশেষ প্রতিনিধি নিয়োগ ও পরে সেই দায়িত্ব প্রত্যাহারের মতো সংবেদনশীল বিষয়ের উল্লেখ থাকায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপির বিরুদ্ধে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতা প্রসঞ্জিত পৈতুন্ডী। তিনি তীব্র আক্রমণ শানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, একজন মণ্ডল সভাপতিকে থানা চালানো বা পুলিশের কাজে হস্তক্ষেপ করার অধিকার কে দিয়েছে? হাসপাতাল নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে রোগীদের সমস্যা তোলা, রক্তের ব্যবস্থা, অপারেশনের প্রয়োজন এবং ডাক্তারের ঘাটতির মতো বিষয় সামনে আনা সাধারণ নাগরিকের অধিকার। এর জন্য কোনো ব্যক্তিকে বিজেপির পতাকা বা গামছা সহ বিশেষ অধিকার দেওয়ার প্রয়োজন নেই।

তবে এই বিতর্ক মাথা চাড়া দিতেই আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণেন্দু মুখোপাধ্যায় বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে জানান যে, সামাজিক মাধ্যমে ঘুরে বেড়ানো এই চিঠিটি সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং জাল। দলীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে, বিজেপির এক নেতার নাম ও পদ অপব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে কোনো অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি বা বিরোধী পক্ষ এই চক্রান্ত করেছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই আসানসোল শিল্পাঞ্চলে রাজনৈতিক পারদ চড়ছিল, এই ভুয়ো চিঠি বিতর্ক সেই পারদকে আরও কয়েক ডিগ্রি বাড়িয়ে দিল।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement