eaibanglai
Homeএই বাংলায়সাত মাসের শিশুকে জলের ট্যাঙ্কে ডুবিয়ে খুনের অভিযোগ, আটক তিন

সাত মাসের শিশুকে জলের ট্যাঙ্কে ডুবিয়ে খুনের অভিযোগ, আটক তিন

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ- এক সাত মাসের শিশুর বাড়ির জলের ট্যাঙ্ক থেকে দেহ উদ্ধার হল। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘেটেছে আসানসোলের কুলটি থানার অন্তর্গত বরাকরের বালতোড়িয়া ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে। শিশুটিকে জলে ডুবিয়ে খুন করার খুন করার অভিযোগ উঠেছে তার মামীর বিরুদ্ধে।

মৃত শিশুটি ইসমাইল আনসারির নাতি বলে জানা গেছে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ইসমাইল আনসারি তার স্ত্রী গুলশন আরা, ছেলে শাহনওয়াজ আনসারি, পুত্রবধূ সানিয়া প্রভীন এবং অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকেন। ইসমাইল আনসারির মেয়ে মুসকান খাতুনের বিয়ে হয়েছে বালতোড়িয়ার বাসিন্দা মুস্তাফা আনসারির সঙ্গে। পেশায় চালক মুস্তাফা কাজের সূত্রে বিহারের জামুইয়ে গিয়েছিলেন। তাই সাত মাসের পুত্র সন্তানকে নিয়ে মুসকান তার বাপের বাড়িতে ছিলেন।

জানা যায় শুক্রবার ভোরে ইসমাইল আনসারি রোজা ভাঙা ও নামাজের প্রস্তুতির জন্য জল নিতে গিয়ে ট্যাঙ্কের কাছে শিশুটিকে জলে ডুবে থাকতে দেখেন। তিনি তৎক্ষণাৎ শিশুটিকে জল থেকে তোলেন ও স্থানীয় হাসাপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মৃত শিশুর মা, পরিবার প্রতিবেশীদের দাবি, শ্বশুর শাশুড়ি তার ননদের ছেলের প্রতি বেশি স্নেহ দেখাতেন বলে সানিয়া প্রায়ই অভিযোগ করতো। যা নিয়ে পরিবাবে প্রায়ই কলহ লেগে থাকতো। সেই ক্ষোভ থেকেই সানিয়া তার ননদের শিশু পুত্রকে জলের ট্যাঙ্কে ডুবিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে কর্মসূত্রে সানিয়ার স্বামী শাহনওয়াজ বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে থাকেন এবং সানিয়ার একটি দশ মাসের কন্যাসন্তানও রয়েছে।

অন্যদিকে ঘটনার খবর পেয়ে বরাকর পুলিশ ফাঁড়ির একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং দেহটি উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শিশুটির মামী সানিয়া প্রভীন, নানু ইসমাইল আনসারি এবং নানি গুলশন আরাকে আটক করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনানুগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments