সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ– আসানসোল শিল্পাঞ্চলে অবৈধ কয়লাকারবারকাণ্ডে সিবিআই এর তদন্ত এখনো জারি রয়েছে। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে কুলটি থানার ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে একটি লাইন হোটেলের পিছন থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কয়লা উদ্ধার হল। সিআইএসএফ, কুলটি থানার চৌরাঙ্গী ফাঁড়ির পুলিশ এবং সালানপুর এরিয়ার ইসিএলের সিকিউরিটি টিম এই অভিযান চালায়। যদিও ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে হোটেল মালিক ধনঞ্জয় পাত্র ও মনোরঞ্জন পাত্রের নামে কুলটি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
জানা গেছে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ইসিএলের সিআইএসএফের শীতলপুরের সিনিয়র কমান্ড্যান্টের নির্দেশে সিআইএসএফের মোহনপুর, ভানোড়া , শীতলপুর কিউআরটি টিম, শ্রীপুর টিম, ইসিএলের সিকিউরিটি টিম এবং কুলটি থানার চৌরঙ্গি ফাঁড়ির পুলিশ যৌথভাবে আসানসোল-চিত্তরঞ্জন ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে পূজা হোটেল নামে একটি লাইন হোটেল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালায়। এবং ওই হোটেলের পিছন থেকে প্রায় ৫১১.৯৫০ মেট্রিক টন অবৈধ কয়লা বাজেয়াপ্ত করা হয়। চারিদিকে আড়াল করে রাখা হয়েছিল ওই বিপুল পরিমাণ কয়লা। সেই কয়লা কয়েক ঘন্টা ধরে ডাম্পারে করে উদ্ধার করে বনজেমারি রেল সাইডিংয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর এই এলাকায় ইসিএলের কয়লা ডাম্পারে করে এনে কাটিং করে মজুত করা হতো। পরে এখান থেকে বিভিন্ন জায়গায় পাচার করা হতো।
প্রসঙ্গত আসানসোল সিবিআই আদালতে চলছে কয়লা পাচার মামলা। সিবিআই-এর চার্জসিটে নাম রয়েছে ইসিএলের কর্মকতা থেকে সিআইএসএফ ও নীরাপত্তা কর্মী আধিকারিক সহ একাধিক ব্যবসায়ী কয়লা মাফিয়ার নাম। এরই মধ্যে একাধিক বার অবৈধ কয়লা পাচারের ঘটনা সামনে এসেছে। ফলে শিল্পাঞ্চলে অবৈধ কয়লার কারবার এখনো যে চলছে এই সব ঘটনায় তার প্রমাণ মিলছে বার বার।

















