eaibanglai
Homeএই বাংলায়ভোট প্রচারের মধ্যেই চলছে দলবদল

ভোট প্রচারের মধ্যেই চলছে দলবদল

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোল ও দুর্গাপুরঃ- আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘিরে জোর কদমে প্রচার চলছে পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুই শিল্পাঞ্চল আসানসোল ও দুর্গাপুরে। এদিকে এই ভোট প্রচারের মধ্যেই চলছে আবার দলবদল! রবিবার দুর্গাপুরে তৃণমূলের প্রচার কর্মসূচিতে বিজেপি ও সিএম ছেড়ে শাসক দলে যোগদান পর্ব চলে। অন্যদিকে আসানসোলে সিপিএমের প্রাক্তন কাউন্সিলরের ছেলে সহ ৫০ জন বিজেপিতে যোগদান করে।

রবিবার দুর্গাপুর নগর নিগমের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়ুরিয়াডাঙ্গা এলাকায় এক রাজনৈতিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের কর্মসূচিতে বিরোধী দল সিপিএম ও বিজেপি ছেড়ে বেশ কিছু কর্মী-সমর্থক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। বিদায়ী মন্ত্রী তথা দুর্গাপুর পূর্বের তৃণমূল প্রার্থী প্রদীপ মজুমদারের হাত থেকে এলাকার নেতা উজ্জ্বল বাউরি সহ একাধিকজন তৃণমূলের দলীয় পতাকা নিয়ে দলবদল করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পশ্চিমের তৃণমূল প্রার্থী কবি দত্ত।

দলবদলকারীরা জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের ধারায় সামিল হতেই তারা শাসক দলে যোগদান করেছেন।

অন্যদিকে, ভোট প্রচারের মধ্যেই দলবদল হলো আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের কালিপাহাড়ি এলাকায়। এখানে সিপিএমের প্রাক্তন কাউন্সিলর মতিশ বাদ্যকরের ছেলে গোপাল বাদ্যকর তাঁর পরিবার সহ প্রায় ৫০ জন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগদান করেন। এদিন গোপাল বাদ্যকরের হাতে দলের পতাকা তুলে দেন আসানসোল দক্ষিণের বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা এবারের পদ্মপ্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল।

দলবদল প্রসঙ্গে গোপাল বাদ্যকর বলেন, “আমি ২০০৬ সাল থেকে বামপন্থী রাজনীতির সঙ্গে রয়েছি। লাল ঝান্ডা নিয়ে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলাম। আমার বাবা মতীশ বাদ্যকর প্রায় ১০ বছর আসানসোল পুরনিগমের কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার এখন বয়স হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আদর্শ এবং বিজেপির নীতি দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে আমার আদর্শ পরিবর্তন করে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” পাশাপাশি অগ্নিমিত্রা পালের কাজ এবং সাংগঠনিক দক্ষতায় অনুপ্রাণিত হওয়ার কথাও জানান তিনি। বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল তাঁকে দলে স্বাগত জানান।

ভোটের আগে এই দলবদলকে এলাকার রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখছে ওয়াকিবহাল মহল, যা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments