eaibanglai
Homeএই বাংলায়ক্ষোভের আঁচ পেয়ে "পালিয়েই" গেলেন ডাক আধিকারিক

ক্ষোভের আঁচ পেয়ে “পালিয়েই” গেলেন ডাক আধিকারিক

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- স্থানীয়দের ক্ষোভের আঁচ পেয়ে ডাকঘর পরিদর্শন না করেই পালিয়ে গেলেন ডাক আধিকারিক। এমনই অভিযোগ উঠেছে আসানসোল ডিভিশনের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট অফ পোস্ট অফিস, কৌশিক রায়ের বিরুদ্ধে।

প্রসঙ্গত ১২ জানুয়ারি আসানসোল ডিভিশনের পোস্ট অফিসের সিনিয়র সুপারিনটেনডেন্ট আমলাদহি ডাকঘরকে চিত্তরঞ্জন মুখ্য ডাকঘরের সাথে মিশিয়ে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। সেইমতো ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত কাজ হয়ে ২২ জানুয়ারি আমলাদহি ডাকঘরের পরিষেবা বন্ধ হওয়ার কথা ছিল। ‌ কিন্তু ২১ জানুয়ারিই ডাকঘরের পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ‌ গ্রাহকেরা ডাকঘরে এসে নিরাশ হয়ে ফিরে যান। ‌ তাদের সামনেই ডাকঘরের আসবাবপত্র সহ অন্যান্য সরঞ্জাম উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যায়। ‌ এরপরই উপস্থিত মানুষজন বিক্ষুব্ধ হয়ে ওই ডাকঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে দেন।

এদিকে পোস্ট অফিসের দরজায় বিক্ষুব্ধ মানুষজন তালা লাগিয়ে দিয়েছেন খবর পেয়ে ডাক বিভাগের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপারিনটেনডেন্ট কৌশিক রায় ২২ জানুয়ারি সরেজমিনে তদন্ত করতে যাবেন বলে আমলাদহি ডাকঘরের পোস্টমাস্টারকে জানান। সেই মতো এদিন পোস্টমাস্টার এবং পোস্ট অফিসের কর্মীরা তাঁর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন। এদিকে এলাকায় তার আসার খবর রটে য়ায়। এবং হঠাৎ ডাকঘরটি বন্ধ করার কারণ জিজ্ঞাসা করতে বহু মানুষ বন্ধ ডাকঘরের সামনে ভিড় জমান। কিন্তু অপেক্ষাই সার হয়। বিকেল পেরিয়ে গেলেও ডাক অধিকারিক আর পৌঁছননি। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত অপেক্ষা করে পোস্টমাস্টার ও কর্মীরাও চলে যান।

বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ ডাক আধিকারিক কৌশিক রায় আসানসোল থেকে আমলাদহি ডাকঘরের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েও তিনি সেখানে যাননি। অভিযোগ উঠেছে পোস্টমাস্টারের কাছ থেকে ক্ষুব্ধ মানুষের জড়ো হওয়ায় কথা শুনে তিনি আমলাদহি ডাকঘরে না গিয়ে চলে যান চিত্তরঞ্জনের মুখ্য ডাকঘরে। ‌

এদিকে আমলাদহি ডাকঘর বন্ধ হওয়া নিয়ে সিএলডব্লু লেবার ইউনিয়ন লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত ডাকঘর কর্তৃপক্ষ কি সিদ্ধান্ত নেন।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments