eaibanglai
Homeএই বাংলায়'সার' আতঙ্কে সালানপুরে আত্মঘাতী বৃদ্ধ

‘সার’ আতঙ্কে সালানপুরে আত্মঘাতী বৃদ্ধ

সন্তোষ কুমার মণ্ডলঃ- এবার এসআইআর আতঙ্ক পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের সালানপুর ব্লকে। শুনানিতে ডাক পাওয়ায় আতঙ্কে আত্মঘাতী সালানপুরের অরবিন্দ নগরের বাসিন্দা নারায়ণ চন্দ্র সেনগুপ্ত (৭০), দাবি পরিবারের।

নারায়ণবাবু চিত্তরঞ্জন রেল ইঞ্জিন কারখানার অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ছিলেন। স্ত্রী ছাড়াও পরিবারে তিন কন্য রয়েছে। তবে তিন কন্যাই বিবাহিতা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে খড়সা ভোটার তালিকায় নারায়ণবাবু ও তাঁর ছোট মেয়ের নাম না ওঠায় তাদের শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়। কিন্তু সেই শুনানিতে মাধ্যমিকের এ্যাডমিট কার্ড নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পিএফ ও পেনশন বুকও যথাযথ নথি নয়। এইসব বিষয় নিয়ে তিনি আতঙ্ক ও ভয়ংকর মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। এমনকি তিনি এলাকার বুথ লেভেল অফিসার তথা বিএলও শান্তনু দাসকেও নথি সংক্রান্ত সমস্যার কথা বলেছিলেন। অবশেষে চাপ সহ্য করতে না পেরে বাড়িতে গলায় দড়ি দিয়ে তিনি আত্মঘাতী হন বলে দাবি পরিবারের সদস্য ও পরিজনদের।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে,গত দিন তিনেক ধরেই নারায়ণবাবু অত্যন্ত চুপচাপ থাকছিলেন। রবিবার সকালে তিনি পাড়ার সেলুনে দাড়ি কাটেন। তারপর সকালে বাজারেও যান। বাজার থেকে বাড়ি ফিরে স্ত্রী এবং ছোট মেয়ের হাতে বাজারের ব্যাগ দিয়ে দোতলায় চলে যান। পরে তার স্ত্রী ও ছোট মেয়ে দোতলায় গিয়ে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকেরা ছুটে যান। সঙ্গে সঙ্গে বৃদ্ধকে উদ্ধার করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে চিকিৎসক পরীক্ষা করে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

এদিকে, এই ঘটনার পরে স্বাভাবিক ভাবেই কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে ( ইসিআই) আক্রমণ করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা তথা বারাবনির বিধায়ক বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় বলেন, “খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এরজন্য দায়ী বিজেপি ও নির্বাচন কমিশন। ভোটার তালিকায় সংশোধন সঠিক ভাবে করতে তো সময় দেওয়া উচিত ছিলো। যা প্রথম থেকেই দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায় বলে আসছেন।”

যদিও এই ঘটনায় বিজেপির কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় নি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments