সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- বিজেপি বিধায়কের উপস্থিতিতে নারাজ হয়ে অনুষ্ঠানের মঞ্চ ছাড়লেন তৃণমূল নেতা নেত্রীরা। ঘটনা বাঁকুড়ার সোনামুখী ব্লকের। একটি হাইস্কুলের রজত জয়ন্তী অনুষ্ঠানে এমনই চিত্র ধরা পড়ল। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
প্রসঙ্গত বুধবার, সোনামুখী ব্লকের ধুলাই গার্লস হাইস্কুলের রজত জয়ন্তী বর্ষের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন বাঁকুড়া জেলা পরিষদের সভাধিপতি অনুসূয়া রায়, বাঁকুড়া ডিপিএসসি চেয়ারম্যান শ্যামল সাঁতরা, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক তন্ময় ঘোষ, সোনামুখী পুরসভার চেয়ারম্যান সন্তোষ মুখার্জি সহ একাধিক তৃণমূল নেতৃত্ব। সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। কিন্তু বিপত্তি বাধে হঠাৎই যখন মঞ্চে প্রবেশ করেন স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। একে একে মঞ্চ ছেড়ে নামতে থাকেন তৃণমূল নেতৃত্বরা। এমনকি, বিধায়ক দিবাকর ঘরামি শ্যামল সাঁতরার সঙ্গে কুশল বিনিময় করতে গেলে তিনি তাঁকে উপেক্ষা করেন বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সোনামুখীতে শ্যামল সাঁতরাকে হারিয়েই বিধায়ক হয়েছিলেন দিবাকর ঘরামি।
আর এই নাটকীয় কাণ্ড নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈকির তরজা। এই ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের সংকীর্ণ মনোভাবেরই প্রকাশ ঘটেছে বলে দাবি করেন বিজেপি বিধায়ক। তিনি বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেস এতটাই অহংকারী হয়ে উঠেছে যে, গণতান্ত্রিক সৌজন্যও তাঁরা ভুলে গেছে। এই সংকীর্ণ রাজনীতির কারণেই সোনামুখীর উন্নয়ন থমকে আছে।”
অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে সোনামুখী পুরসভার চেয়ারম্যান সন্তোষ মুখার্জি বলেন, “বিজেপি দাঙ্গাবাজ দল, সাম্প্রদায়িক দল। বিধায়ক দিবাকর ঘরামির ওখানে কোনো নিমন্ত্রণ ছিল না। তাই আমরা মঞ্চ ছেড়ে বেরিয়ে এসেছি।”
যদিও বিরোধী দলের হলেও একজন বিধায়ককে এভাবে অবজ্ঞা করা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে নানা মহলে।





