সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- রাজ্য কৃষি দপ্তরের উদ্যোগে উচ্চ ফলনশীল ধানের বীজ উদ্ভাবন। পুরুলিয়া খরা প্রতিরোধ গবেষণা কেন্দ্র ও চুঁচড়া ধান গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা এই ধানের বীজ উদ্ভাবন করে নজর কেড়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে এই খবর জানানোর পাশাপাশি উক্ত বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। বর্তমানের জলবায়ু পরিবর্তনের কথা মাথায় রেখেই এই বিশেষ উদ্যোগ বলে দাবি রাজ্য কৃষি দপ্তরের।
সামাজিক মাধ্যমে করা পোষ্টে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, পশ্চিমাঞ্চলের তিন জেলা পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মতো খরা প্রবণ এলাকার জন্য সুভাষিনী, লছমন্তি ও মুসাফির নামে তিনটি নতুন প্রজাতির ধান বীজ আবিষ্কৃত হয়েছে। খরিফ মরশুমে হেক্টর প্রতি ৫২ থেকে ৫৫ ক্যুইন্ট্যাল ফলন দিতে সক্ষম ওই ধান বীজ। ফলে এই এলাকার চাষীরা উপকৃত হবেন। অন্যদিকে দক্ষিণবঙ্গের বন্যাপ্রবন এলাকার জন্য ইরাবতী নামে একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে যা দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন অবস্থায় থাকলে নষ্ট হয়না ও ঝড়ে হেলে যায় না।
ওই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত কৃষি বিজ্ঞানী মনোরঞ্জন জানা, উদয় শঙ্কর রায়রা বলেন, “দীর্ঘ প্রচেষ্টার ফলে আমরা এই ধানের বীজ উদ্ভাবন করেছি। ধানগুলি যেমন উচ্চ ফলনশীল, তেমনই খেতেও খুব সুস্বাদু। সবকটি ধানবীজই ভীষণ উচ্চ ফলনশীল। বাঁকুড়ার মতো খরাপ্রবণ এবং বৃষ্টি নির্ভর চাষাবাদ ও বন্যাপ্রবন এলাকার কৃষকরা এতে উপকৃত হবেন।”
রাজ্য কৃষিদপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে ধাপে ধাপে কৃষকদের হাতে এই নতুন প্রজাতির বীজ পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।


















