এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

মৃত আশাকর্মীর বাড়িতে তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার আশ্বাস কুণাল-দোলার

By Eaibanglai - August 07, 2026
— Advertisement —
Advertisement
মৃত আশাকর্মীর বাড়িতে  তৃণমূলের প্রতিনিধি দল, পাশে থাকার আশ্বাস কুণাল-দোলার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাঁকুড়া:- মৃত বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির আশাকর্মী রুম্পা মণ্ডলের শোকস্তব্ধ পরিবারের পাশে দাঁড়াল তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিশেষ নির্দেশে আজ, শুক্রবার গঙ্গাজলঘাটির ভালুকাথোল গ্রামে ওই আশাকর্মীর বাড়িতে পৌঁছায় রাজ্য তৃণমূলের এক উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল। প্রতিনিধি দলে ছিলেন তৃণমূল নেতা বিধায়ক কুণাল ঘোষ এবং রাজ্যসভার সাংসদ তথা শ্রমিক নেত্রী দোলা সেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল কংগ্রেস একনিষ্ঠ কর্মী বৃন্দ। তাঁরা পরিবারের পাশে থাকার সবরকম আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও স্থানীয় বিজেপি বিধায়কের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।

প্রসঙ্গত. গত সোমবার কাজে বেরোনোর সময় হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় গঙ্গাজলঘাটির বন আসুড়িয়া গ্রামের আশাকর্মী রুম্পা মণ্ডলের (৩৮)। সহকর্মীদের অভিযোগ, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার ই-কেওয়াইসি (e-KYC) করার জন্য তাঁদের ওপর চরম প্রশাসনিক ও মানসিক চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছিল। এই অতিরিক্ত কাজের চাপের মাঝেই গত রবিবার স্থানীয় শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি আশাকর্মীদের ডেকে বেনজির দুর্ব্যবহার ও অপমান করেন বলে অভিযোগ ওঠে, যার একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়। সহকর্মীদের দাবি, অতিরিক্ত কাজের চাপ এবং বিধায়কের এই চরম অপমানের মানসিক ধাক্কা সহ্য করতে না পেরেই স্ট্রোক হয়ে মৃত্যু হয় রুম্পাদেবীর। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত কয়েকদিন ধরে বাঁকুড়া সহ গোটা রাজ্যজুড়ে আশাকর্মীদের বিক্ষোভ এবং শোক দিবস পালন চলছে।

এই আবহে ‘কালীঘাট’ তৃণমূ-এর প্রতিনিধি হিসেবে আজ সকালেই গঙ্গাজলঘাটিতে পৌঁছে যান কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনেরা। তাঁরা রুম্পা মণ্ডলের স্বামী, সন্তান ও অন্যান্য আত্মীয়দের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন এবং সমবেদনা জানান। পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরকুণাল ঘোষ  সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, “মাননীয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে আমরা এখানে ছুটে এসেছি। এই পরিবারের পাশে দল রয়েছে।" পাশাপাশি সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ ও চাকরির দাবি তুলে বিজেপি বিধায়কের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, “যখন আশাকর্মীরা এত কষ্টের মধ্যে কাজ করছেন, তখন বিজেপির জনপ্রতিনিধিরা এসে তাঁদের অসম্মান করছেন, কুৎসিত মন্তব্য করছেন।” 

অন্যদিকে দোলা সেন বলেন, "দিদি পরিবারের পাশে আছেন। তবে মৃতার পরিবার রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে চেয়েছে।"

তৃণমূল প্রতিনিধি দলের এই সফরের পর মৃতার পরিবার ও আন্দোলনরত আশাকর্মীদের একাংশ কিছুটা আশ্বস্ত হলেও এই অকালমৃত্যুর সঠিক তদন্ত এবং আশাকর্মীদের কাজের বোঝা কমানোর দাবিতে তাদের আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে আশা কর্মীরা। 

 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement