এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

মহালয়ার ভোরে দামোদর ঘাটে তর্পণ পুণ্যার্থীদের, আঁটসাঁট প্রশাসনিক নিরাপত্তা

By Eaibanglai - October 10, 2026
— Advertisement —
Advertisement
মহালয়ার ভোরে দামোদর ঘাটে তর্পণ পুণ্যার্থীদের, আঁটসাঁট প্রশাসনিক নিরাপত্তা

সংবাদদাতা,আসানসোল ও দুর্গাপুরঃ- আজ মহালয়া, পিতৃপক্ষের অবসান ঘটিয়ে সূচনা হল দেবীপক্ষের। আর এই পুণ্য লগ্নে ভোর থেকেই আসানসোল ও দুর্গাপুরে দামোদর নদীর বিভিন্ন ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে ভিড় জমালেন শত শত পুণ্যার্থী।

এদিন ভোর ৪টে থেকেই দামোদরের তীরবর্তী ঘাটগুলিতে মানুষের ঢল নামতে শুরু করে। কেউ এসেছেন সপরিবারে, আবার কেউ একাই। নদীগর্ভে দাঁড়িয়ে, পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে পূর্বপুরুষদের আত্মার শান্তি কামনায় এবং জলদানের মাধ্যমে তর্পণ সম্পন্ন করেন ভক্তরা। 

অন্যদিকে এদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গেই দুর্গাপুর ব্যারেজে তর্পণ অর্পণ করেন দুর্গাপুরের পূর্বের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল থেকেই পিতৃপুরুষদের উদ্দেশে তর্পণ করতে ঘাটে আসেন পুণ্যার্থীরা। ধর্মীয় রীতি মেনে জল অর্পণের মধ্য দিয়ে প্রয়াত পূর্বপুরুষদের স্মরণ করেন তাঁরা। 

মহালয়ার এই মহাশ্রাদ্ধ ও তর্পণকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা দুর্ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ঘাটে পর্যাপ্ত পুলিশ কর্মী মোতায়েন করার পাশাপাশি, পুণ্যার্থীরা যাতে নদীর গভীর জলে না চলে যান, তার জন্য অনবরত মাইকিং করা হয়। এর পাশাপাশি, মহিলা ও বয়স্ক পুণ্যার্থীদের সুবিধার্থে ঘাটে বিশেষ ও পৃথক ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছিল।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় এবং নজরদারি চালাতে এ দিন ভোর থেকেই ঘাটগুলিতে মোতায়েন ছিল সিভিল ডিফেন্সএবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী । পুলিশ ও প্রশাসনের এই যৌথ তৎপরতায় কোনো রকম অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয় দামোদর ঘাটের মহালয়ার তর্পণ অনুষ্ঠান।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement