এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

দুর্গাপুরে ‘ফুড সেফটি অ্যাওয়ারনেস উইক’-এর সূচনা

By Eaibanglai - September 01, 2026
— Advertisement —
Advertisement
দুর্গাপুরে ‘ফুড সেফটি অ্যাওয়ারনেস উইক’-এর সূচনা

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- খাবারে ভেজাল ও নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং নজরদারি বাড়াতে রাজ্যজুড়ে বিশেষ উদ্যোগ নিল প্রশাসন। মঙ্গলবার থেকে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে ‘ফুড সেফটি অ্যাওয়ারনেস উইক’ বা খাদ্য সুরক্ষা সচেতনতা সপ্তাহ। এই কর্মসূচির প্রথম দিনেই পশ্চিম বর্ধমান জেলার শিল্পশহর দুর্গাপুরে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের উদ্যোগে একটি বিশেষ সচেতনতা ট্যাবলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

শহরের সিটি সেন্টার বাসস্ট্যান্ডে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে  ট্যাবলোর উদ্বোধন করেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক পন্নামবলাম এস। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দুর্গাপুর পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়ক লক্ষ্মণ চন্দ্র ঘরুই।

প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই বিশেষ অভিযানের মূল লক্ষ্য হলো খাদ্যসামগ্রীর গুণমান নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। একই সঙ্গে, খাদ্য বিক্রির ক্ষেত্রে কোনও রকম অনিয়ম বা খামতি নজরে এলে সাধারণ মানুষ যাতে দ্রুত তা প্রশাসনের নজরে আনতে পারেন, সেই বিষয়েও জোর দেওয়া হচ্ছে।

এই ট্যাবলোর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ খাদ্য সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ সরাসরি দায়ের করতে পারবেন। তবে প্রশাসন শুধুমাত্র অভিযোগ গ্রহণেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, অভিযোগ পাওয়ার পর তার সত্যতা যাচাই করে দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্রেতা সুরক্ষা ও খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের একটি বিশেষ পরিদর্শক দল শহরের বিভিন্ন এলাকায় সরজমিনে পরিদর্শনে নামবে। বিভিন্ন হোটেল, রেস্তরাঁ, ছোট-বড় খাবারের দোকান এবং খাদ্য সামগ্রী বিক্রয়কেন্দ্রে সঠিক নিয়ম মেনে খাবার তৈরি ও বিক্রি হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে। খাবারের গুণমান পরীক্ষার পাশাপাশি রান্নাঘরের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সামগ্রিক খাদ্য নিরাপত্তার বিষয়টিও কড়া নজরে রাখা হবে। কোথাও কোনও নিয়ম লঙ্ঘন বা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ দেখা গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

প্রশাসনের কর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই উদ্যোগে সাধারণ মানুষ সরাসরি যুক্ত হতে পারায় খাবারের গুণমান রক্ষা করা এবং ভেজালের কারবার রুখে দেওয়া অনেক বেশি সহজ ও কার্যকর হবে।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement