eaibanglai
Homeএই বাংলায়বিজেপির জেলা কমিটির সদস্যের স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী...

বিজেপির জেলা কমিটির সদস্যের স্যোশাল মিডিয়া পোস্ট ঘিরে বিতর্ক, প্রকাশ্যে বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- নাম না করে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘরুইকে উদ্দেশ্য করে বিজেপির জেলা কমিটির সদস্যের করা ফেসবুক পোস্ট ঘিরে শুরু হয়েছে বিতর্ক। যা নিয়ে বিজেপি দলের অন্দরের গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। কটাক্ষের সুর তৃণমূলের গলায়।

প্রসঙ্গত, বর্ধমান সংগঠনিক জেলা বিজেপির সদস্য অভিজিৎ ভট্টাচার্যের পরপর বিস্ফোরক ফেসবুক পোস্টে ঘিরে রীতিমতো অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির। তিনি পোস্টে লিখেছন,”বাঁচতে চাই পশ্চিমবাংলায় বিজেপিকে। চাই দুর্গাপুর পশ্চিম কেন্দ্রে প্রার্থী বদল। তাই দাদা দাদা তুমি এবার বাই বাই।” এই পোস্ট নিয়ে বিজেপির সক্রিয় সদস্য অভিজিৎ ভট্টাচার্য বলেন, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভার বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ পরাজিত হয়েছিলেন। সেই যন্ত্রনা আমাদের মনের ভেতর রয়েছে। সেই জন্যই আমরা দিলীপদাকে দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী চাইছি। উনি প্রার্থী হলে আমরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করাবো। আর ফেসবুক পোস্ট আমি কাউকে উদ্দেশ্য করে করিনি। আমি নিজের মনের কথা বলেছি।”

প্রসঙ্গত গত বিধানসভা নির্বাচনে দুর্গাপুর পূর্বের হয়ে লড়াই করেছিলেন দিলীপ ঘোষ। যদিও তিনি তৃণমূল প্রার্থী বর্তমানে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের কাছে পরাজিত হন। অন্যদিকে দুর্গাপুর পশ্চিমে বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে বিধায়ক হন লক্ষণ ঘড়ুই। ফলে স্যোশাল মিডিয়া পোস্টে নাম করলেও তিনি যে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিধায়কের বিরুদ্ধেই সরব হয়েছেন, তার বুঝতে বাকি নেই কারো।

এদিকে বিজেপির দলের অন্দরের কোন্দল প্রকাশ্যে আসতেই বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূলের মুখপাত্র উজ্জ্বল মুখোপাধ্যায় বলেন,”এ বিষয়ে আমার বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না কারণ ওটা ওদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে এটা প্রখর গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ। একজন লিখছে চাই! অন্যজন লিখছে বাই বাই! তবে এটা নিশ্চিৎ করে বলতে পারি পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুরু করে দুর্গাপুর পশ্চিম, এবারের নির্বাচনে বিজেপি বাই বাই। গত পাঁচ বছরে লক্ষণবাবু তো কোন কাজই করেননি। অতএব যে লিখেছেন তিনি বুদ্ধিমান লোক।”

দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইও পাল্টা সরব হয়েছেন। তিনি বলেন,”যারা এসব কথা বলে তারা বিজেপি নয়। তারা তৃণমূলকে সুবিধা করে দিতে চাইছে। যদি কারোর কোন অভিযোগ থাকে তাহলে ফেসবুক পোস্ট না করে উচ্চ নেতৃত্বকে জানান। উচ্চ নেতৃত্ব সিদ্ধান্ত নেবেন।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments