এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

জামুড়িয়ার কোলিয়ারি এলাকায় ভয়াবহ ধস: পুনর্বাসনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

By Eaibanglai - September 24, 2026
— Advertisement —
Advertisement
জামুড়িয়ার কোলিয়ারি এলাকায় ভয়াবহ ধস: পুনর্বাসনের দাবিতে সরব স্থানীয়রা

নিজস্ব সংবাদদাতা,জামুড়িয়াঃ- টানা দুই দিনের টানা বৃষ্টির জেরে আসানসোলের জামুড়িয়ায় ইসিএল-এর কেন্দা অঞ্চলের অন্তর্গত নিউ কেন্দা কোলিয়ারির তিন নম্বর বাউরী পাড়ায় এক ভয়াবহ ধসের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় মা মনসা মন্দিরের কাছে এই ঘটনাটি ঘটে, যা ঘিরে সমগ্র এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এদিন ভোরে আচমকা এক বিকট শব্দের সাথে বিস্তীর্ণ এলাকার জমি বসে যায়। সময় বাড়ার সাথে সাথে ধস নামা এলাকার পরিধি আরও বৃদ্ধি পেতে থাকে। আতঙ্ক আরও বাড়িয়েছে ধসে যাওয়া গর্তের ভেতর থেকে আসা এক অদ্ভুত ও রহস্যময় শব্দ। ধসগ্রস্ত স্থানটির পাশ দিয়েই চলে গেছে এলাকার মূল রাস্তা, যা দিয়ে প্রতিদিন শয়ে শয়ে মানুষ যাতায়াত করেন। এছাড়া কাছেই একটি ফুটবল মাঠ থাকায় শিশুদের নিরাপত্তা নিয়েও চরম আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ঘটনার পর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও ইসিএল-এর কোনো পদস্থ আধিকারিক অকুস্থলে না পৌঁছানোয় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বাউড়ি সমাজের পক্ষ থেকে ক্ষোভ উগরে দিয়ে জানানো হয়েছে, এটি ইসিএল কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলার ফল। এর আগেও দুই বছর আগে প্রথমবার এখানে ধস নেমেছিল এবং এ নিয়ে মোট তিনবার ধসের ঘটনা ঘটল। কিন্তু প্রতিবারই ইসিএল কর্তৃপক্ষ কেবল কাঁটাতারের বেড়া দিয়েই নিজেদের দায় সেরেছে বলে অভিযোগ।

ধসপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করে ইসিএল কর্তৃপক্ষ পূর্বে ১৪৪টি পরিবারকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পুনর্বাসন দেওয়ার কথা জানিয়েছিল। তবে স্থানীয় বাসিন্দা রামকৃষ্ণ বাউরী ও ক্রান্তি বাউরীদের অভিযোগ, এখনও পর্যন্ত মাত্র কয়েকটি পরিবারকে ইস্ট কেন্দা ইসিএল আবাসনে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় দেওয়া হলেও, তাদের সঠিক ক্ষতিপূরণ বা কোনো সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়নি। ফলে বহু পরিবার এখনও মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে এই বিপজ্জনক পরিস্থিতিতেই দিন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। ইসিএল কর্তৃপক্ষের এই উদাসীনতার বিরুদ্ধে আগামী দিনে জোরদার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়েছে স্থানীয় বাউড়ি সমাজ।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement