এই বাংলায়

” দিল্লিতে মোদির লুঠ , রাজ্যে দিদির লুঠ ” পাত্রসায়রে এসে বললেন মোহাম্মদ সেলিম

By Eaibanglai - November 08, 2019
— Advertisement —
Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঁকুড়া :-

‘দিল্লীতে মোদির লুঠ, রাজ্যে দিদির লুঠ চলছে’। একজন ব্যাঙ্ক থেকে টাকা লুঠ করে নিয়ে যাচ্ছে, অন্য জন চিটফাণ্ডের মাধ্যমে টাকা লুঠ করেছে। বৃহস্পতিবার বাঁকুড়ার পাত্রসায়রে এনআরসি বিরোধী এক পদযাত্রায় অংশ নিয়ে বিজেপি ও তৃণমূলকে ঠিক এই ভাষাতেই আক্রমণ করলেন সিপিএম পলিটব্যুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এদিন তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, রাজ্যে সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরী হচ্ছে, সরকারী চাকরী নিলাম হচ্ছে, গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ হচ্ছে।

অনেকে মনে করেছিলেন তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপিকে আনলে ভালো হবে, আবারো অনেকে বলেছিল বিজেপিকে আটকাতে তৃণমূল। বাস্তবে কেউ কাওকে আটকাচ্ছেনা। ‘গুজরাট মডেলে’র কথা বলে এখন আসাম মডেল চালু করতে চাইছে’। আর সেই সঙ্গে ভাষা, ধর্ম, পোশাক, খাওয়া নিয়ে ভাগ করা হচ্ছে। বামপন্থীরা দূর্বল হয়েছিল বলেই এই সুযোগ তারা পেয়েছিল দাবী করে তিনি বলেন, বামপন্থীরা এককাট্টা হওয়া মানেই মানুষ এককাট্টা হওয়া। সেকারণে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ করেই তারা এনআরসি রুখবেন বলেও আত্মবিশ্বাসী সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম।

একই সঙ্গে এদিনের দীর্ঘ পদযাত্রা প্রসঙ্গে মহম্মদ সেলিম বলেন, সারা ও দেশ জুড়ে এনআরসির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলন সংগঠিত হচ্ছে। রাজ্য ও জেলা স্তরের পর এবার প্রতিটি ব্লকে মিছিল, সমাবেশ হচ্ছে। এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের পাশাপাশি পাত্রসায়রে গত দশ বছরে সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরী হয়েছিল অভিযোগ করে তিনি বলেন, তাদের কর্মীদের উপর অনেক অত্যাচার, জরিমানা, মিথ্যা মামলা দেওয়া, পাট্টাদারদের উচ্ছেদ, রুটি রুজি বন্ধ থেকে খুন পর্যন্ত করা হয়েছে। তাই গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার শপথ নিতেই এই গণআন্দোলন সংগঠিত হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এদিন সিপিএমের ডাকে রসুলপুর থেকে পাত্রসায়র মূলতঃ এনআরসি বিরোধী দীর্ঘ পদযাত্রায় পথ হাঁটেন অসংখ্য বাম কর্মী সমর্থক। মিছিল থেকে রাজ্যে এনআরসি চালু করা চলবেনা, এনআরসির নামে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি বন্ধ, সংখ্যালঘু, আদিবাসী, দলিত সম্প্রদায়ের উপর আক্রমণ বন্ধ ও এনআরসির নামে ঘৃণ্য রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেওয়া হয়।

এদিন সাধারণ দলীয় কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে লাল ঝাণ্ডার দীর্ঘ এই মিছিলে পথ হাঁটেন সিপিএম পলিটব্যুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম, দলের বাঁকুড়া জেলা কমিটির সম্পাদক অজিত পতি সহ জেলা ও স্থানীয় নেতৃত্ব ।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement