এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

রাজ্যের সবুজ সংকেত নেই, পিছোচ্ছে পুরভোট

By Eaibanglai - October 29, 2026
— Advertisement —
Advertisement
রাজ্যের সবুজ সংকেত নেই, পিছোচ্ছে পুরভোট

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- আগামী ২৮শে নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হচ্ছে না, ভোট কবে জানতে রাজ্যকে চিঠি রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। বোর্ড গঠনের শেষ দিন ২৮শে ডিসেম্বর, অথচ ভোটের দিনক্ষণই অনিশ্চিত কলকাতা পুরসভা-সহ রাজ্যের বাকি পুরসভা ও পৌরসভা গুলির,তাই পুর নির্বাচন ঘিরে অনিশ্চয়তা বাড়ল। নির্ধারিত সূচী অনুযায়ী আগামী ২৮শে নভেম্বর পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সম্ভাবনা আপাতত নেই। নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করতে রাজ্য সরকারের সবুজ সংকেতের অপেক্ষায় রয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কবে ভোট করানো সম্ভব, তা জানতে ইতিমধ্যেই রাজ্যকে চিঠি দিয়েছে কমিশন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত নবান্নের তরফে কোনও জবাব মেলেনি। ফলে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ থেকে শুরু করে গোটা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময়সূচী নিয়েই তৈরী হয়েছে সংশয়।


কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের বাকি পুরসভা ও পৌরসভা গুলিতে নির্বাচন করানোর প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে কমিশন। ভোট পরিচালনার জন্য পর্যবেক্ষকদের তালিকাও তৈরী করা হয়েছে। কিন্তু নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণে রাজ্য সরকারের সম্মতি না মেলায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না। ফলে ২৮শে নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের যে সম্ভাবনা ছিল, তা আপাতত কার্যত বিশ বাঁও জলে।


অন্য দিকে, পুরভোটের প্রস্তুতির অঙ্গ হিসেবে আগামী ১২ই নভেম্বর ওয়ার্ডভিত্তিক ভোটার তালিকার চূড়ান্ত রোল প্রকাশের দিন ধার্য রয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনে ব্যবহৃত ভোটার তালিকার ভিত্তিতেই পুরভোটের তালিকা তৈরী করা হচ্ছে। সেই তালিকা ১লা অক্টোবর পর্যন্ত সংশোধিত অবস্থায় পেতে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছেও আবেদন জানিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।


তবে ভোটার তালিকা প্রস্তুতির কাজ এগোলেও ভোটের দিনক্ষণ নিয়ে জট কাটছে না। রাজ্যের জবাব না আসায় কবে নির্বাচনী বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে, কবে ভোটগ্রহণ হবে—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত। অথচ আগামী ২৮শে ডিসেম্বরের মধ্যে বোর্ড গঠনের শেষ দিন। ফলে হাতে থাকা সময়ের মধ্যে নির্বাচনের যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে কি না, সেই প্রশ্নও ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।


সব মিলিয়ে, ভোটার তালিকা ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগোলেও রাজ্যের সম্মতি না মেলায় পুরভোটের আনুষ্ঠানিক সূচনা আপাতত আটকে রয়েছে। এখন নবান্নের জবাবের দিকেই তাকিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement