eaibanglai
Homeএই বাংলায়প্রকাশিত হলো 'কামদুঘা' সাহিত্য পত্রিকা

প্রকাশিত হলো ‘কামদুঘা’ সাহিত্য পত্রিকা

সৌভিক সিকদার, গুসকরা, পূর্ব বর্ধমান -: দেখতে দেখতে ৪০ তম বর্ষে পদার্পণ করল গুসকরা থেকে প্রকাশিত ‘কামদুঘা’ সাহিত্য পত্রিকা। তারপরও গুসকরা রটন্তী কালীপুজো উপলক্ষ্যে পত্রিকাটি প্রকাশকে কেন্দ্র করে আবেগের ভাটায় এতটুকু টান পড়েনি। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত দেড় প্রায় শতাধিক কবি-সাহিত্যিক, সমাজসেবী সহ বিশিষ্টদের উপস্থিতিতে ‘কামদুঘা’ পত্রিকার ৩৯ তম বর্ষপূর্তির বিশেষ সংখ্যা দিনের আলোর মুখ দেখে। এই সংখ্যায় ১৮২ জন কবি-সাহিত্যিকের লেখা স্থান পেয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত কবিরা স্বরচিত কবিতা পাঠ করেন। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে যথাযোগ্য মর্যাদা সহকারে তাদের বরণ করা হয় এবং সবুজায়নের লক্ষ্যে প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি করে চারাগাছ।

‘বন্দেমাতরম’ সঙ্গীত রচনার ‘সার্ধশতবর্ষ’এর প্রতি সম্মান জানিয়ে মঞ্চে উপস্থিত অতিথি এবং মঞ্চের সামনে থাকা দর্শকরা উঠে দাঁড়িয়ে সমবেত কন্ঠে ‘বন্দেমাতরম’ সঙ্গীত পরিবেশন করেন এবং এভাবেই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়।

কবি-সাহিত্যিকদের স্বাগত জানিয়ে গুসকরা পৌরসভার পুরপ্রধান কুশল মুখার্জী বলেন, গত কয়েকবছর ধর রটন্তীমেলা ও গুসকরা উৎসব এবং ‘কামদুঘা’ সাহিত্য সভা পরস্পরের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছে। সাহিত্য সভায় গুনীদের উপস্থিতি মেলার মর্যাদা বৃদ্ধি করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শ্যামসুন্দর বেরা, প্রবীণ শিক্ষক কুমুদুরঞ্জন মন্ডল, পুলিশ আধিকারিক অভিজিত বেরা সহ বাংলার লোকগানের প্রবাদ প্রতিম ব্যক্তিত্ব পদ্মশ্রী রতন কাহার এবং আরও অনেকেই।

‘কামদুঘা’ পত্রিকার সম্পাদক তথা কবি সাংবাদিক ধনঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘প্রতিটি অনুষ্ঠানে নবীন প্রজন্মের সংখ্যাটা যথেষ্ট কম। নবীনদের সাহিত্যমুখী করাটাও এই অনুষ্ঠানের অন্যতম উদ্দেশ্য।’ পাশাপাশি নবীন প্রজন্মকে খ্যাতির লোভ সংবরণ করে সাহিত্য সাধনায় মনোনিবেশ করার পরামর্শ দেন তিনি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments