সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- আজ পরমা একাদশী। আজকের দিনের মাহাত্ম্য শ্রবণ করুন। একবার মহারাজ যুধিষ্ঠির শ্রীকৃষ্ণকে পুরুষোত্তম মাসের একাদশীর মাহাত্ম্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেন যে, কাম্পিল্য নগরে সুমেধা নামে এক ব্রাহ্মণ ও তার স্ত্রীর পবিত্রা বাস করতেন। পূর্বজন্মের কর্মফলে এই ব্রাহ্মণ ধনহীন হয়ে পড়েন এবং ভিক্ষা চেয়েও তার কিছুই জুটত না। পূর্ব জন্মে তারা কেউই ধন-সম্পদ ইত্যাদি কোন কিছুই সৎ পাত্রে দান করেননি।
একদিন মুনি শ্রেষ্ঠ কৌণ্ডিন্য সেখানে আসেন। তখন ব্রাহ্মণ দম্পতি মুনিকে প্রণাম করে, পুজো করেন ও ভোজন করান। এরপর তারা জিজ্ঞাসা করেন কীভাবে কোনও দান না করে এবং কোনও তপস্যার মাধ্যমে তাদের অবস্থার পরিবর্তন সম্ভব?
মুনি তাদের পুরুষােত্তম মাসের কৃষ্ণপক্ষে ‘পরমা’ নামে সর্বশ্রেষ্ঠা যে একাদশী আছে, তা পালন করতে বললেন। কৌণ্ডিন্য মুনির উপদেশে শুনে তারা দুজনে মিলে বিধি মেনে পুরুষােত্তম মাসের পরমা একাদশী ব্রত পালন করেন। এই ব্রত সমাপনের পরেই রাজ ভবন থেকে এক রাজকুমার তাদের কাছে এলেন। ব্রহ্মার প্রেরণায় তিনি বহু ধন সম্পদ, নতুন গৃহ ও গাভী এই দম্পতিকে দান করেন। এই দানের ফলে মৃত্যুর পর সেই রাজার বিষ্ণুলােক প্রাপ্ত হয়। এইভাবে পরমা একাদশীর ব্রত মাহাত্ম্য সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। একাদশীর দিন এই ব্রতকথা যে পড়ে, তার অশেষ পূণ্যফল লাভ হয়।




















