eaibanglai
Homeএই বাংলায়মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরে তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ

মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরে তৃণমূলের সিন্ডিকেট রাজের অভিযোগ

তাপস মাল, বাঁকুড়া:- জমিতে যাওয়াই মুশকিল, কোন জায়গায় ৫ ফুট ছাই আবার কোন জায়গায় ১০ ফুট আগাছায় ভর্তি জমি। সঠিক কোন ক্ষতিপূরণ নেই মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে। বারবার ডিভিসির গেটে ধাক্কা দিয়েও কোনো লাভ হয় না। এখন নাকি জেলা প্রশাসনের দেখভালের উপর একমাত্র নির্ভর চাষীরা । চাষীদের করুন আর্তনাদ। পাঁচ ফসলের দাম এখনো সম্পূর্ণ বাকি, আমাদের ক্যামেরার সামনে গঙ্গাজলঘাটির সারঙ্গপুর গ্রামের চাষী মনোহর মন্ডল, পরেশ দে’ রা অভিযোগ উঠলেন।

দীর্ঘদিনের সমস্যা এই ছাই। ডিভিসির অ্যাসপন্ড থেকে নির্গত হয়ে বিঘার পর বিঘা চাষযোগ্য জমি একেবারে নষ্ট হয়ে ছাই জমিতে পরিণত হয়েছে। সেই ছাই নিয়ে এলাকার ৮ থেকে ১০ টি গ্রামের কৃষকরা এক ভয়ঙ্কর রাজনীতির শিকার। মাঝে মাঝে আন্দোলন হয়, আবার স্থানীয় নেতৃত্বদের হস্তক্ষেপে সেই আন্দোলন স্তিমিতও হয়। ঠিক কি কারণে অসহায় চাষীদের সঙ্গে রাজনীতি? কোনো উত্তর নেই কারো কাছে। বিরোধীরা দোষ চাপায় শাসকদের উপর, আবার শাসকরা দোষ চাপাচ্ছে বিরোধীদের উপর। যেহেতু এই তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কেন্দ্র সরকার নিয়ন্ত্রণ করে হয়তো সেই কারনেই।

অন্যদিকে গঙ্গাজলঘাটির হাঁসপাহাড়ি মোড়ে সেই ছাইয়ের কারণে দিনের বেলায় গাড়িতে হেডলাইট জ্বালাতে হয় । বিগত ১০ বছরের খতিয়ানে কত যে আহত, নিহত হয়েছে তার ইয়াত্তাও নেই ।

প্রসঙ্গক্রমে শিল্পাঞ্চলের বিজেপি নেতা সুজিত অগস্হিকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি সম্পূর্ণ রূপে বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে শাসক দলের ওপরেই দোষ চাপালেন, তিনি বলেন, তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরে নাকি তৃণমূল সম্পূর্ণরূপে সিন্ডিকেট চালায়, এবং গায়ের জোরে ঠিকাদার নিয়োগ করে। অন্যদিকে নিত্যানন্দপুর অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি দেবদাস বাজপাই সম্পূর্ণ বিষয়টিকে উড়িয়ে দিয়ে বলেন, যেহেতু কেন্দ্র সরকার নেতৃত্বাধীন এই তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, সেখানে শাসক দলের সম্পর্ক কোথা থেকে আসে। ভয়ংকর এই ছাই চিন্তা কবে মাথা থেকে নামবে সেই চিন্তায় হাজার হাজার কৃষক দিনগুনে চলেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments