রামকৃষ্ণ চ্যাটার্জ্জী, আসানসোল:- প্রতিবছর গ্রীষ্মকালে রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে রক্তের ঘাটতি দেখা যায়। এক বোতল রক্তের সন্ধানে রুগীর পরিবার দিশাহারা হয়ে পড়ে। বিজ্ঞান আজও মানুষের রক্তের বিকল্প আবিস্কার করতে না পারার জন্য মুমূর্ষু রুগীকে বাঁচানোর জন্য দরকার হয় মানুষের রক্তের। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে এগিয়ে আসে বিভিন্ন সংস্থা। তাদের উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবিরের।
গ্রীষ্মকালীন রক্ত সঙ্কট দূরীকরনের লক্ষ্যে আসানসোল ইসমাইলে অবস্থিত গণেশ পুজো কমিটির উদ্যোগে এবং নিউ ডায়মন্ড ক্লাবের সক্রিয় সহযোগিতায় ২৯ আগস্ট গণেশ পূজো উপলক্ষে একটি স্বেচ্ছায় রক্তদান শিবির অনুষ্ঠিত হয়। আসানসোল জেলা হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংক শাখা শিবির থেকে ১৫ ইউনিট রক্ত সংগ্রহ করে। রক্তদাতাদের মধ্যে ৪ জন ছিলেন মহিলা এবং ১১ জন পুরুষ রক্তদান করেন। রক্তদাতাদের উৎসাহ দেওয়ার জন্য শিবিরে উপস্থিত ছিলেন আসানসোল পৌর নিগমের ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক, রক্ত সংগ্রামের যোদ্ধা প্রবীর ধর, নিউ ডায়মন্ড ক্লাবের সম্পাদক দিলীপ চৌধুরী, সভাপতি অভিমান্য ঠাকুর। গণেশ পুজো কমিটি তথা ক্লাবের পক্ষ থেকে বাবাই বাউড়ি, সাগর বাউড়ি, আমির প্রসাদ সহ অন্যান্য সদস্যরা।
অনুষ্ঠানে এসে অভিজিৎ বাবু বললেন, পরিস্থিতি উপলব্ধি করে যেভাবে বিভিন্ন সংস্থা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে চলেছে তাতে বিষয়টি বেশ উৎসাহব্যঞ্জক। পাশাপাশি নতুন ছেলেমেয়েরা ভয় কাটিয়ে যেভাবে রক্তদান করতে এগিয়ে আসছে তাতে খুব ভাল লাগছে। এরফলে আশাকরি আগামীদিনে রক্তের সঙ্কট অনেকটাই মিটবে। গণেশ পূজো উপলক্ষে নিউ ডায়মন্ড ক্লাব রক্তদান শিবির করছে। বিভিন্ন জায়গায় রক্তের চাহিদা রয়েছে সেই চাহিদা মেটানোর জন্য এই রক্তদান শিবির। নিউ ডায়মন্ড ক্লাবের সাথে সমস্ত রক্তদাতা দের শুভেচ্ছা সহ ধন্যবাদ জানান।
ক্লাবের সম্পাদক দিলীপ চৌধুরী বলেন, ২০১০ থেকে এখানে গণেশ পূজা হচ্ছে। তাই এই পূজো উপলক্ষে আমরা এই বছর থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছি। এবছর প্রথম হয়েছে এবার থেকে প্রতি বছর রক্তদান শিবির করার চেষ্টা করব। বিভিন্ন মিটিংয়ে থানার বড়বাবু আমাদেরকে উৎসাহ করেন। ওনার থেকে উৎসাহ পেয়ে আমরা এই রক্তদান শিবির করছি।





