eaibanglai
Homeএই বাংলায়সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রতির বন্ধনে পালিত হলো লাচ্ছা সেমাই উৎসব

সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রতির বন্ধনে পালিত হলো লাচ্ছা সেমাই উৎসব

রিমা ঘোষ, আমতা, হাওড়া -: ঈদের সকালে অতিথি আপ্যায়নের পাশাপাশি সকলের সঙ্গে আনন্দের ভাগাভাগি করতে লাচ্ছা সেমাইয়ের কোনো বিকল্প নেই। এগুলি ছাড়া ঈদের আনন্দ অপূর্ণ থেকে যায়। এগুলি আসলে প্রীতি, একতা, ঐতিহ্য ও আনন্দের প্রতীক। যুগ যুগ ধরে সুস্বাদু এই খাবার উৎসবের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসাবে চলে আসছে। কোথাও আবার চারদেওয়ালের বাইরে বেরিয়ে লাচ্ছা সেমাই উৎসব পালিত হচ্ছে যা পরিচিত ঐতিহ্যকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিচ্ছে।

২৩ শে মার্চ সারা ভারত জরি শিল্পী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে এবং রাষ্ট্র সেবা দল পশ্চিমবঙ্গ এর সৌজন্যে গ্রামীণ হাওড়ার গাববেড়িয়া চাইল্ড হুড কে জি স্কুলে অনুষ্ঠিত হয় লাচ্ছা সেমাই উৎসব। অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য ছিল সমস্ত রকম বিভেদ ভুলে সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির মেলবন্ধন তৈরী করা। এই মহামিলন উৎসবের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন সমিতির সম্পাদক মুজিবর রহমান মল্লিক এবং সভানেত্রী রিক্তা কাঁউল। এবার এই উৎসব ৫ ম বর্ষে পদার্পণ করল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাঁচলার প্রাক্তন বিধায়ক শৈলেন মন্ডল সহ কবি, সাহিত্যিক, সমাজসেবী, শিল্পী, উকিল, ডাক্তার, শিক্ষক, সাধারণ মানুষ সহ সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি। এটা শুধু ল্যাংচা সিমুই উতসব নয় মহা মিলন উৎসব। অনুষ্ঠানে ১০ জন অংশগ্রহণকারী রকমারি স্বাদের গুঁড়ো সিমাই, সরু সিমাই, মসলা সিমাই, দুধ সিমাই, বাদশাহি সিমাই, নবাবী সিমাই, ঝাল সিমাই, ল্যাকচা সিমাই তৈরি করে আনেন এবং উপস্থিত সকলকে পরিবেশন করেন। মুজিবর রহমান মল্লিক বলেন, সাংস্কৃতিক চর্চার মাধ্যমে সম্প্রীতি ও সৌভ্রাতৃত্বের বার্তা সমাজের সকল স্তরে পৌঁছে দিতে আমরা গত পাঁচ বছর ধরে এই উৎসবের আয়োজন করে চলেছি। আমরা সমস্ত ধরনের বিভাজনের বিরুদ্ধে। হিন্দু, মুসলিম, জৈন, শিখ, খ্রীষ্টান আমরা সবাই ভাই ভাই। সম্প্রীতির মেলবন্ধনের জন্য এলাকায় আমরাই প্রথম এই উৎসব শুরু করি।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments