eaibanglai
Homeএই বাংলায়নামের পাশে 'পোস্টাল ব্যালট' সিল, কমিশনের কাজে গাফিলতির অভিযোগ

নামের পাশে ‘পোস্টাল ব্যালট’ সিল, কমিশনের কাজে গাফিলতির অভিযোগ

সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ– বারাবনি বিধানসভা কেন্দ্রের বছর ২৯এর তরুণী সঞ্চিতা রজক। বর্তমানে চাকরি পাওয়ার জন্য প্রতিযোগিতামুলক পরিক্ষায় বসার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অথচ ভোটার লিস্টে তার নামের পাশে ‘পোস্টাল ব্যালট’- র সিল! যা দেখে রীতিমতো বিষ্মিত তরুণী। তাকে নাকি জানানো হয় তিনি সরকারি চাকুরীজীবী । ভোটের ডিউটির জন্য ইতিমধ্যেই ‘পোস্টাল ব্যালট’-এ ভোট দিয়েছেন। ফলে ভোটের লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ভোট উৎসবে মাসিল হওয়া হলো না তাঁর।

ভোট দিতে না পেরে সঞ্চিতা কমিশনের কাজে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বলেন “আমি একজন সাধারণ মানুষ। কোনো সরকারি চাকরি করি না। তাহলে আমার নামের পাশে পোস্টাল ব্যালটের সিল কিভাবে এল? আমি বিএলওর সাথে যোগাযোগ করেছি। নির্বাচন কমিশনের টোল-ফ্রি নম্বরে ফোন করে গোটা বিষয়টি বলেছি। ইমেলে অভিযোগ জানিয়েছি। কিন্তু কোনো সদুত্তর মেলেনি।”

এরকম গাফিলতির আরও এক ঘটনা সামনে এসেছে বারাবনি বিধানসভার সালানপুর ব্লকে। সালানপুর ব্লকের রূপনারায়নপুরের বাসিন্দা ৬৫ বছরের অরিন্দম বন্দোপাধ্যায়। তিনিও ঠিক একই রকম সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সালানপুর ব্লকের ৬৫ নম্বর বুথ অগ্রদূত পাঠাগারে দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করে ভোট দিতে গেলে কর্তব্যরত আধিকারিক তাকে জানিয়ে দেন, তার নামের পাশে ‘পোস্টাল ব্যালট’- র সিল রয়েছে। পোস্টাল ব্য়ালটে আগেই তার ভোট হয়ে গেছে। যা শুনে অরিন্দমবাবু রীতিমতো হকচকিয়ে যান ও ভোট দিতে না পেরে হতাশ হয়ে ফিরে যান।

পরে তিনি কমিনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে বলেন, “আমি তো সরকারি কর্মচারী নই। কোনদিন ছিলাম না। আমি পেশায় গৃহ শিক্ষক । তাহলে পোস্টাল ব্যালটে ভোট হলো কি করে ? কে আমার এই ব্যালেট ভোট দিল?” পুরো বিষয়টি তিনি সালানপুরের বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাসের কাছে লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

বিডিও দেবাঞ্জন বিশ্বাস অভিযোগে পাওয়ার কথা স্বীকার করে জানান, অভিযোগটি তিনি জেলা নির্বাচনী দপ্তরে পাঠিয়ে দিয়েছেন।

স্বাভাবিক ভাবেই এইসব ঘটনা সামনে আসায় নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা, ভূমিকা এবং তথ্য ব্যবস্থাপনায় নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments