eaibanglai
Homeএই বাংলায়আসানসোলে সম্পন্ন হলো দিশারী বার্ণপুরের ২৩তম নাট্যমেলা

আসানসোলে সম্পন্ন হলো দিশারী বার্ণপুরের ২৩তম নাট্যমেলা

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ- সম্প্রতি আসানসোল রবীন্দ্রভবনে ‘দিশারী বার্ণপুর’-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হল ত্রয়োবিংশতিতম নাট্যমেলা। ৩০ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলা তিন দিনের এই নাট্য উৎসবে মঞ্চস্থ হল ১২টি নাটক। ঢল নামল নাট্যপ্রেমী মানুষের।

এই নাট্য মেলায় রাজ্যের পাশাপাশি বাইরের রাজ্য থেকেও আগত নাটকের দল নাটক মঞ্চস্থ করে। নাটকগুলির বিষয়বৈচিত্র্য গল্প, অভিনয় ও মঞ্চসজ্জা দর্শকদের মুগ্ধ করে। মঞ্চস্থ নাটকগুলির মধ্যে ছিল ‘নো’, (দিশারী বার্ণপুর), ‘ছেমরি’, ‘মহাপ্রস্থানিক পর্ব’, ‘সুখের চাবি’, ‘ফিটিং’, ‘নো অপশন’, ‘হ্যান্ডেল উইথ কেয়ার’, ‘মানব বোমা’, ‘বিষমূল’, ‘খুন হওয়ার পর’, ‘ভৌতিক’ এবং ‘মেলাবেন তিনি মেলাবেন’।

গত ৩০ জানুয়ারি নাট্যমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট শিল্পপতি শচীন্দ্রনাথ রায় ও রানিগঞ্জের বিধায়ক ও নাট্যানুরাগী তাপস বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব তাপস দত্ত, সঞ্জয় দাসগুপ্ত, সমীর দত্ত এবং সুবীর রায়।

নাট্যমেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল গুণীজন সংবর্ধনা। নাট্যজগতে বহুমুখী অবদানের জন্য বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব সুবীর রায় ও সঙ্গীতশিল্পী তারক চট্টোপাধ্যায়কে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাঁদের হাতে স্মারক তুলে দেন বিধায়ক তাপস বন্দ্যোপাধ্যায় ও নাট্যব্যক্তিত্ব সমীর দত্ত।

তিন দিনের এই নাট্য মেলাকে ঘিরে শিল্পাঞ্চলের নাট্যপ্রেমী দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। আয়োজক সংস্থা দিশারী বার্ণপুরের পক্ষ থেকে সোমনাথ মুখার্জী জানান, নাট্যসংস্কৃতির এই ধারাকে আগামী দিনেও আরও বৃহৎ পরিসরে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারে তাঁরা বদ্ধপরিকর।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments