সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- শীর্ষ আদালতের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছে রাজ্যের সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত এবং পোষিত স্কুলগুলির প্রায় ২৬ হাজার (২৫,৫৭২ জন) শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর। তার প্রভাব পড়েছে রাজ্যের হাজার হাজার স্কুলের পঠনপাঠনে। এরকমই একটি স্কুল বাঁকুড়ার তালডাংরা ফুলমতি উচ্চ বিদ্যালয়। চাকরিহারাদের তালিকায় নাম রয়েছে এই স্কুলের চারজন শিক্ষক সহ দুজন অশিক্ষক কর্মীর। এনারা সকলেই উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষক। দুজন ইংরেজি বিভাগের একজন অংক বিভাগের ও আরও একজন জীবন বিজ্ঞান বিভাগের। এই পরিস্থিতিতে মাথায় হাত প্রধান শিক্ষকের।
প্রধান প্রবীর কুমার ডাঙ্গর জানান, তাঁদের স্কুলে বর্তমানে পড়ুয়া সংখ্যা প্রায় ১২০০জন। প্রধান শিক্ষক নিজে অংক বিভাগের শিক্ষক হলেও স্কুলের বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়। তারপরেও ক্লাস নেওয়ার সময় বার করতে হয় তাঁকে। কিন্তু এরই মধ্যে স্কুলের অংক বিভাগের শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের অংক বিভাগ এখন প্রধান শিক্ষককেই দেখতে হবে। ফলের প্রধান শিক্ষক স্কুল পরিচালনা করবেন না ক্লাস নেবেন ভেবে পাচ্ছেন না। শুধু অংকই না জীবন বিজ্ঞানের এক উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকের চাকরি বাতিল হওয়ায় সেই বিষয়েও পড়াশোনার ক্ষেত্রে উঠছে নানান প্রশ্ন। অন্যদিকে ইংরেজি বিভাগের দুই জন শিক্ষিকার চাকরি বাতিল হয় ব্যাক টু ব্যাক ক্লাস নিতে হচ্ছে বর্তমান স্কুলে থাকা দুই ইংরেজি শিক্ষককে।
এতো গেল পঠন পাঠন সংক্রান্ত সমস্যা। অন্যদিকে এই স্কুলে দুজন গ্রুপ সি অর্থাৎ ক্লার্ক পদে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ তাঁদের একজনের চাকরি বাতিল হয়েছে। ফলে একজন ক্লার্কের উপর পুরো স্কুলের দায়িত্ব পড়েছে। এই বিষয়টিও মাথা ব্যাথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে স্কুল কর্তৃপক্ষের কাছে।





