eaibanglai
Homeএই বাংলায়শিবরাত্রিতে বাঁকুড়ার প্রাচীন জৈন শিব মন্দিরে ভক্ত সমাগম

শিবরাত্রিতে বাঁকুড়ার প্রাচীন জৈন শিব মন্দিরে ভক্ত সমাগম

সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ– মহাশিবরাত্রি হল সনাতন পুণ্য়ার্থীদের জন্য একটি বিশেষ দিন। ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণ পক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পালিত হয় শিবরাত্রি। মনের অন্ধকার তথা অজ্ঞতা দূর করে জ্ঞানের আলোর প্রাপ্তির জন্য শিব বাত্রির ব্রত পালিত হয়। শিব পুরাণ অনুসারে, এই রাতেই শিব সৃষ্টি, স্থিতি ও প্রলয়ের মহা তাণ্ডব নৃত্য করেছিলেন। আবার এই রাতেই শিব ও মাতা পার্বতীর বিয়ে হয়েছিল।

এইদিন দেবাদিদেব শিবকে গঙ্গাজল, দুধ, বেলপাতা, ফুল, ফল দিয়ে পুজো করে তুষ্ট করতে বাঁকুড়ার প্রাচীন জৈন শিব মন্দির বিহারীনাথ মন্দিরে ভিড় জমান অগণিত ভক্ত।

কথিত আছে পুরুলিয়া কাশিপুরের তৎকালীন রাজা স্বপ্নাদেশ পাওয়ার পরেই বাঁকুড়া জেলার শালতোরা থানা এলাকায় প্রতিষ্ঠা হয় বিহারীনাথ শিবলিঙ্গের।বর্তমানে বিহারীনাথ পাহাড় সংলগ্ন বিহারী নাথের মন্দির তীর্থ স্থানে পরিণত হয়েছে। দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসেন বিহারীনাথ শিবলিঙ্গের দর্শন করতে। এখানে সারা বছর ধরে উৎসব হয়ে থাকে থাকলেও সবথেকে বড় উৎসব হয় শিবরাত্রিতে। এদিন রাজ্যের পাশাপাশি ভিন রাজ্য থেকেও মানুষজন আসেন বিহারী নাথের মন্দিরে পুজো দিতে, দর্শন করতে। চার দিন ধরে চলে শিবরাত্রির উৎসব। আনুমানিক চারশো বছর ধরে চলছে এই ঐতিহ্য । এই দিনগুলিতে প্রতিদিন হাজার হাজার পুণ্যার্থী ভীড় জমান।

শিবরাত্রি উপলক্ষে পুজোপাঠ, সংকীর্তন এবং সকাল থেকে রাত পর্যন্ত নরনারায়ণ সেবা ও প্রসাদ বিতরণ হয়। সকালের চা থেকে শুরু করে দুপুরের খাবার, সন্ধ্যার চা বা টিফিন ও রাত্রিবেলায় খাবারেরও ব্যবস্থা করা হয় মন্দির প্রাঙ্গণে। শিব চতুর্দশী উপলক্ষে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বসে মেলা।

এবারেও তার অন্যথা হয়নি। শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে পুণ্যার্থী ও ভক্ত সমাগমে জমজমাট বাঁকুড়ার শিবতীর্থ বিহারীনাথ মন্দির।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments