নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- গত ২২ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের বৈসরণ উপত্যকায় পর্যটকদের উপর নৃসংশ জঙ্গি হামলার ঘটনায় কেঁপে উঠেছিল গোটা দেশ। নিন্দার ঝড় ওঠে বিশ্বজুড়ে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি হামলায় মৃত্যু হয় ২৫ জন নিরীহ পর্যটকের ও ১জন স্থানীয় বাসিন্দার। ঘটনায় ক্ষোভে ফুঁসতে থাকে গোটা দেশ। যার প্রেক্ষিতে ৭-৮ মে প্রতিবেশী পাকিস্তানে “অপারেশন সিঁদুর” অভিযান চালায় ভারত। এই অভিযানে সে দেশের পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিঘাঁটি গুলি গুঁড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি সে দেশের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানো হয়। আর এই সফল অভিযানের জন্য দেশের সামরিক বাহিনীর গুরুত্ব ছিল অপরিসীম। সেনা বাহিনীর দক্ষতা,পেশাদায়িত্ব, সাহসিকতার জন্য গর্বিত গোটা দেশ।
নবাগত ছাত্র-ছাত্রীদের ইনডাকশন কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার এনআইটি দুর্গাপুরের অডিটোরিয়ামে “অপারেশন সিঁদুর” -এর উপর একটি লাইভ মোটিভেশনাল টক আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার জন্য পানাগড় সেনা ঘাঁটি থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল ব্রিগেডিয়ার সুবীর সোন্ধিকে। তিনি শত্রু দেশে সন্ত্রাসীদের আস্তানাগুলিতে সতর্কতার সাথে আক্রমণ এবং প্রতিবেশী দেশ কর্তৃক মদদপ্রাপ্ত কুখ্যাত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলির আস্তানা এবং অপারেশনাল ঘাঁটি ধ্বংস করার পটভূমি, প্রস্তুতি, নকশা এবং চূড়ান্ত আক্রমণ সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। পাশাপাশি এই অভিযান পরিচালনায় সেনাবাহিনী ও বিমান বাহিনীর ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন। তাঁর এই বক্তৃতা শেষ হতেই দর্শকাসনে উপস্থিত বিশিষ্ট অতিথি, ফ্যাকাল্টি মেম্বার ও পড়ুয়ারা সকলে উঠে দাঁড়িয়ে অভ্যর্থনা জানান।
এছাড়াও এদিন উদ্যোক্তাতা বিষয়ক একটি বক্তৃতা অনুষ্ঠিত হয়। যার বক্তা ছিলেন টেলিকম বিভাগের প্রাক্তন ক্লাস ওয়ান অফিসার ও উদ্যোক্তা সুনীল কুমার। শিক্ষা জীবনে টপার থাকা এবং একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে নিজের জীবনের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোক্তা হওয়ার ধাপগুলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন সুনীল কুমার । যা উপস্থিত ছাত্র ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করে।
এদিনের অনুষ্ঠানে এনআইটি দুর্গাপুরের পরিচালক অধ্যাপক অরবিন্দ চৌবে উভয় বক্তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর পাশাপাশি তাঁদের স্মারক উপহার দিয়ে সম্মানিত করেন।





