দক্ষিণ বাংলা

দুর্গাপুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সাংসদ মন্ত্রীরা

By Eaibanglai - January 19, 2026
— Advertisement —
Advertisement
দুর্গাপুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সাংসদ মন্ত্রীরা

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- আসআইআর আবহে দুর্গাপুরের সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তৃণমূলের সাংসদ মন্ত্রীরা। প্রসঙ্গত রাজ্যে এসআইআর প্রকল্পের কাজ চলছে। এসআইআর-এর বিরুদ্ধে প্রথম থেকেই রাজ্যের শাসক দল বিরোধীতা করলেও আসআইআর-এর সমর্থনে অনুপ্রবেশ ইস্যুকে বার বার হাতিয়াড় করেছে কেন্দ্রের বিজেপি দল।

দুর্গাপুরের এক সভা থেকে সাংসদ কীর্তি আজাদ অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে বলেন, “বিজেপি বারবার অনুপ্রবেশ ইস্যুকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। দিল্লিতে বিজেপির সরকার থাকা সত্ত্বেও লাল কেল্লার সামনে এক মাস আগে সন্ত্রাসবাদী হামলায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়। রাজধানীতে কীভাবে অনুপ্রবেশকারীরা ঢুকতে পারল। জম্মু ও কাশ্মীরে তিন মাস আগে একটি ঘটনায় ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ওই এলাকায় অনুপ্রবেশকারীরা কীভাবে প্রবেশ করল।” তিনি আরো বলেন,”বিহার বিধানসভা নির্বাচনে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হলেও, ধরা পড়া ৩৫০ জনের মধ্যে ২৭০ জনই ছিলেন নেপালের নাগরিক। বাস্তব সমস্যার সমাধান না করে বিজেপি বিভ্রান্তিমূলক বক্তব্য দিয়ে জনগণকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করছে।”

কেন্দ্রকে আক্রমণ করে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ শর্মিলা সরকার বলেন,”সাধারণ মানুষকে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা করছে বিজেপি। সেটা মানুষ বুঝতে পারছে। মতুয়ারাও বুঝতে পারছে। বিজেপি ধর্মীয় মেরুকরণ করা চেষ্টা করছে। কিন্তু ২০২৬ সামনেই নির্বাচন। মানুষকে সতর্ক হতে হবে। চতুর্থ বারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।”

অন্যদিকে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন,”বিজেপি প্রতিটি নির্বাচনে প্রশাসনিক দায়িত্ব পাওয়ার আশা করেছিল। প্রধানমন্ত্রী বারে বারেই এসে বলেন তিনি নাকি মানুষের কথা বুঝতে পারেন। তাঁরা ২০২১সালেও ভেবেছিল ক্ষমতায় আসবে। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। বারে বারেই ওদের স্বপ্ন চূর্ণ হয়। এবারেও হবে।”

প্রসঙ্গত রবিবার দুর্গাপুরের ক্ষুদিরাম মাঠে আসআইআর-এর বিরোধীতায় তৃণমূলের এক প্রতিবাদ সভা হয়। যেখানে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ কীর্তি আজাদ,সাংসদ শর্মিলা সরকার, রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার, তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায়, সম্পাদক পঙ্কজ রায় সরকার সহ জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement