এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

ভারী বৃষ্টির পর নিউ কেন্দা কোলিয়ারিতে ভূগর্ভস্থ আগুন থেকে ব্যাপক ধোঁয়া, তীব্র আতঙ্ক

By Eaibanglai - September 26, 2026
— Advertisement —
Advertisement
ভারী বৃষ্টির পর নিউ কেন্দা কোলিয়ারিতে ভূগর্ভস্থ আগুন থেকে ব্যাপক ধোঁয়া, তীব্র আতঙ্ক

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ- ভারী বৃষ্টির পর ইসিএল-এর কেন্দা এরিয়ার নিউ কেন্দা কোলিয়ারির ওয়ান পিট কোয়ারি-২ (ওসিপি) এলাকায় হঠাৎ ব্যাপক ধোঁয়া বের হওয়ার ঘটনায় তীব্র আতঙ্ক ছড়াল খনি অঞ্চলে। শুক্রবার বৃষ্টির মধ্যেই খনির খোলামুখ অংশ থেকে বিপুল পরিমাণ ধোঁয়া ও গ্যাস বের হতে দেখা যায়। এর জেরে ওসিপি সংলগ্ন সালডাঙা মণ্ডলপাড়া ও বাউরিপাড়ার বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া বের হওয়ার ঘটনার পর থেকেই আপদকালীন সুরক্ষাস্বার্থে ওই খনিগর্ভে আপাতত কয়লা উত্তোলনের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে।

স্থানীয়রা বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রায় ৩২ বছর আগে, ১৯৯৪ সালের ২৫ জানুয়ারি এই নিউ কেন্দা কোলিয়ারিতেই ঘটেছিল এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, যেখানে একই রাতে ৫৫ জন খনি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের দাবি, সেই সময় খনির ভেতরে যে আগুন লেগেছিল, তা আজও ভূগর্ভে জ্বলছে। মাঝে মাঝেই বিভিন্ন জায়গায় মাটি ফেটে যাওয়া, আগুন ও ধোঁয়া বের হওয়ার ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে ভারী বৃষ্টির পর মাটির ফাটল ও পুরনো মুখগুলি খুলে যায়। এর ফলে ভূগর্ভস্থ আগুন প্রচুর পরিমাণে অক্সিজেন পেয়ে আরও ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপকভাবে ধোঁয়া বের হতে শুরু করে। প্রায় আট মাস আগেও একইভাবে ওসিপি থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া বের হয়েছিল। সেই সময় স্থানীয় দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়েছিল, যাদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়।

এই বিপজ্জনক পরিস্থিতির জেরে স্থানীয় বাসিন্দারা ইসিএল কর্তৃপক্ষের কাছে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের দাবি জানিয়েছেন। পাশাপাশি তাঁদের অভিযোগ, ওসিপির চারপাশে যথাযথ ঘেরাও বা সুরক্ষার পাঁচিল না থাকায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এমনকি প্রায়শই গবাদি পশু খোলামুখ খনির গর্তে পড়ে যায় বলেও দাবি করা হয়েছে। 

যদিও স্থানীয়দের আতঙ্ক উড়িয়ে দিয়ে ইসিএল কেন্দা এরিয়ার মহাব্যবস্থাপক অক্ষয় চন্দ্র দে জানান, “বৃষ্টি হলে ওসিপি থেকে ধোঁয়া বের হওয়া কোনো নতুন বা অস্বাভাবিক ঘটনা নয়। মাটির নিচে কোলিয়ারি স্তরে আগুন থাকার কারণে বৃষ্টির জল ঢুকলে পুরনো মুখগুলি খুলে যায় এবং বাষ্পমিশ্রিত ধোঁয়া বের হয়। দ্রুত ডোজারিং (মাটি ও বালি চাপা দেওয়া) করে ওই মুখগুলি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হবে।”

 

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement