এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

আসন্ন পুরভোটের প্রস্তুতিতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

By Eaibanglai - September 26, 2026
— Advertisement —
Advertisement
আসন্ন পুরভোটের প্রস্তুতিতে বড় পদক্ষেপ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- রাজ্যের আসন্ন পুরভোটকে সামনে রেখে প্রশাসনিক প্রস্তুতি এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়িয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার জেলাশাসক, জেলা মিউনিসিপ্যাল নির্বাচন আধিকারিক এবং কমিশনের শীর্ষ কর্তাদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের পর কমিশনের তরফে একটি প্রেস নোট প্রকাশ করা হয়।

সেখানেই স্পষ্ট করা হয়েছে যে, ভোটের আগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অর্থাৎ আসন পুনর্বিন্যাসের কাজ ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। এর পাশাপাশি, ভোট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম সংগ্রহ, ভোটার তালিকা সংশোধন এবং ভোটকর্মী নিয়োগের মতো একাধিক বড় পদক্ষেপের মাধ্যমে কমিশন কার্যত পুরভোটের চূড়ান্ত ঘণ্টা বাজিয়ে দিল।

কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের পাশাপাশি কালিম্পং, দার্জিলিং, ধূপগুড়ি, হলদিয়া এবং ঝাড়গ্রাম পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ হয়েছে। বর্তমানে সংরক্ষণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ৬ই অক্টোবর কালিম্পং, দার্জিলিং, ধূপগুড়ি, হলদিয়া ও ঝাড়গ্রাম-সহ অন্যান্য পুরসভার সংরক্ষিত ওয়ার্ডের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর ঠিক পরের দিন, অর্থাৎ ৭ই অক্টোবর প্রকাশিত হবে কলকাতা ও হাওড়া পুরনিগমের সংরক্ষণের তালিকা।

চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট ঘোষণা না করলেও কমিশন জানিয়েছে, প্রথম দফায় কলকাতা পুরনিগম, হাওড়া পুরনিগম, বালি, কালিম্পং, কার্শিয়াং, ধূপগুড়ি এবং হলদিয়া পুরসভায় ভোটগ্রহণ হতে পারে।

 ভোট পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় ইভিএম ইতিমধ্যেই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে পাঠানো হয়েছে।আগামী ২৯শে সেপ্টেম্বর থেকে ৬ই অক্টোবর পর্যন্ত জেলাগুলিতে ইভিএম-এর ফার্স্ট লেভেল চেকিং-এর কাজ চলবে। ইভিএমের গতিবিধি ও রক্ষণাবেক্ষণের নজরদারিতে ব্যবহার করা হবে 'ইএমএমএস' পোর্টাল। ১লা জুলাই পর্যন্ত সংশোধিত ভোটার তালিকা গ্রহণ করে অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহে খসড়া তালিকা এবং নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


কমিশনের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬,৩০০টি বুথে ভোট পরিচালনার জন্য ৩৭ হাজারেরও বেশি ভোটকর্মীর প্রয়োজন হবে। সেই লক্ষ্যে কর্মী নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, মনোনয়ন কেন্দ্র চিহ্নিতকরণ এবং নির্বাচনী পরিকাঠামো তৈরির কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। একই সাথে ভোটকেন্দ্র পরিদর্শন, ন্যূনতম পরিকাঠামো নিশ্চিত করা, স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিতকরণ এবং আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলাগুলিকে।

নির্বাচনী মহলের মতে, আসন পুনর্বিন্যাস শেষ হওয়া, সংরক্ষণের দিনক্ষণ নির্দিষ্ট হওয়া এবং জেলাগুলিতে ইভিএম পৌঁছে যাওয়ার অর্থ হলো ভোট ঘোষণার ক্ষেত্রে সবথেকে বড় প্রশাসনিক বাধাগুলি দূর হয়ে গেল। সম্ভাব্য প্রথম দফার পুরাঞ্চলের তালিকা প্রকাশের মাধ্যমে কমিশন কার্যত ভোট প্রস্তুতির রূপরেখা স্পষ্ট করে দিল। এখন নজর কেবল কমিশনের চূড়ান্ত নির্ঘণ্ট ঘোষণার দিকে।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement