এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- বিদ্যালয়ের পঠনপাঠনে কোনও প্রভাব না ফেলেই শিক্ষকদের জনগণনার কাজ সম্পন্ন করতে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করল পশ্চিমবঙ্গের স্কুল শিক্ষা দফতর। নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে প্রয়োজনে শিক্ষকরা স্কুল ছুটির পরে অথবা সপ্তাহান্তে এই দায়িত্ব পালন করবেন। স্কুলের নিয়মিত পঠনপাঠন যাতে কোনওভাবে ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতেই এমন সিদ্ধান্ত৷
সোমবার এই সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জনগণনার কাজ এমনভাবে সংগঠিত করতে হবে যাতে স্কুলের পাঠদান ও অন্য শিক্ষামূলক কার্যক্রমে কোনও বিঘ্ন না ঘটে। সেই কারণেই শিক্ষকদের ক্লাস শেষ হওয়ার পর অথবা ছুটির দিনে জনগণনার কাজে অংশ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, আসন্ন জনগণনার কাজে বিভিন্ন সরকারি দফতরের পাশাপাশি শিক্ষকদের একাংশকেও যুক্ত করা হচ্ছে। এরপরই স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকারা পঠন পাঠন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। জনগণনার কাজে পঠন পাঠনের বিষয়টি ব্যাহত হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তাঁরা।
এই পরিস্থিতিতে একদিকে সরকারি দায়িত্ব পালন এবং অন্যদিকে বিদ্যালয়ের শিক্ষাব্যবস্থা সচল রাখা—দুটি বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতেই এই নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে শিক্ষা দফতর সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।
এর আগে এসআইআর পর্বেও স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের কাজে লাগানো হয়েছিল৷ সে সময় পঠনপাঠনে ব্যাঘাত ঘটছে বলে অভিযোগ উঠেছে বার বার। তেমন কিছু যাতে না হয় তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর বর্তমান রাজ্য প্রশাসন৷
এদিকে ইতিমধ্যে ‘সেলফ এনিউমারেশন’–এর মাধ্যমে জনগণনা শুরু হয়েছে বাংলায়। ১৫ অগস্ট পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া চলবে। তারপরে শুরু হবে ‘ফিল্ড এনিউমারেশন’, যে পর্বে শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী ও সরকারি কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাগরিকদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। যাঁরা ‘সেলফ এনিউমারেশন’ করছেন, তাঁদের তথ্যও যাচাই করতে হবে।