এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

পুলিশের ‘দ্বিচারিতা’র প্রতিবাদে উত্তাল আসানসোল আদালত!

By Eaibanglai - July 21, 2026
— Advertisement —
Advertisement
পুলিশের ‘দ্বিচারিতা’র প্রতিবাদে উত্তাল আসানসোল আদালত!

সংবাদদাতা,আসানসোলঃ- ​পুলিশের কথিত পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ও এফআইআর দায়েরের ক্ষেত্রে দ্বিচারিতার অভিযোগে সোমবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল আসানসোল জেলা আদালত চত্বর। আইনজীবীদের তীব্র ক্ষোভ ও আন্দোলনের জেরে এদিন আদালতের প্রধান প্রবেশদ্বারে প্রতীকী তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

আন্দোলনকারীদের মূল অভিযোগ, আইনজীবীদের অভিযোগের ক্ষেত্রে পুলিশ চরম নিষ্ক্রিয়তা দেখালেও, তাঁদের বিরুদ্ধে সামান্য অভিযোগ এলেই যথাযথ প্রাথমিক তদন্ত ছাড়াই তড়িঘড়ি এফআইআর রুজু করছে।

​গত ১৭ জুলাই আদালত চত্বরে এক অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। আইনজীবী নরেন সাউয়ের অভিযোগ, বিচারাধীন মামলার জেরে একদল বহিরাগত তাঁকে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। তিনি অভিযোগ জানালেও পুলিশ প্রথমে তা এফআইআর হিসেবে গ্রহণ করেনি। অথচ অপর পক্ষের বাসিন্দা তারা সাউয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে নরেন সাউ সহ একাধিক আইনজীবীর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির চেষ্টা, মারধর ও ছিনতাইয়ের সুনির্দিষ্ট মামলা রুজু করে পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকা আইনজীবীদের নামও এফআইআরে থাকায় ক্ষোভে ফেটে পড়েন বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা।

​প্রবীণ আইনজীবী শেখর কুণ্ডু স্পষ্ট জানান, আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে আগে বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সম্পাদককে জানিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা উচিত।

বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অয়ন রঞ্জন মুখোপাধ্যায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার স্বয়ং ঘটনাস্থলে এসে নিরপেক্ষ তদন্তের আশ্বাস না দেওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে।

যদিও তীব্র চাপের মুখে পরে নরেন সাউয়ের অভিযোগও এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। তবে লাগাতার এই বিক্ষোভে আদালতের স্বাভাবিক কাজকর্ম কিছুটা ব্যাহত হয় এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement