এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ - রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাসের লক্ষ্যে কাজ শুরু করল নবগঠিত সপ্তম বেতন কমিশন। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মীদের বেতন, ভাতা, পদ, পরিষেবা ও ক্যাডার সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য চেয়ে রাজ্যের অর্থসচিবকে চিঠি দিয়েছে কমিশন।
শুধু সরকারি দপ্তরের কর্মীই নন, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা-সহ রাজ্য সরকারের আর্থিক দায়ভার বহন করা বিভিন্ন সংস্থার কর্মীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত তথ্যও চাওয়া হয়েছে। কমিশনের নির্ধারিত অনলাইন পোর্টালে নির্দিষ্ট ফর্ম্যাটে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের এই তথ্য জমা দিতে হবে।
তবে তথ্য জমা দেওয়ার কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন কর্মী সংগঠনের প্রতিনিধিরা। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডলের বক্তব্য, সময়সীমা বেঁধে না দিলে বিভিন্ন দপ্তর ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য পাঠাতে দেরি করতে পারে, যা কমিশনের কাজেও প্রভাব ফেলতে পারে।
উল্লেখ্য, গত জুলাইয়ে প্রাক্তন আমলা নবীন প্রকাশের নেতৃত্বে রাজ্য সরকার সপ্তম বেতন কমিশন গঠন করে। কমিশনের কার্যপরিধি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সরকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে পাঁচ সদস্যের একটি পরিবারকে ভিত্তি হিসেবে ধরা হবে। পাশাপাশি ন্যূনতম বেতন নির্ধারণে দৈনিক ৩,৪৯০ ক্যালোরি পুষ্টির প্রয়োজনীয়তাকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা আগের ২,৭০০ ক্যালোরির মানদণ্ডের তুলনায় বেশি।
সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, শুধু বেতন বৃদ্ধি নয়, ভাতা, পদোন্নতি, অবসরকালীন সুবিধা এবং কর্মপরিবেশ-সহ সরকারি চাকরির সামগ্রিক কাঠামো পর্যালোচনা করে সুপারিশ করবে সপ্তম বেতন কমিশন।