এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

৪ হাজার দূষণকারী গাড়ি চিহ্নিতের লক্ষ্য, রিমোট সেন্সিং যন্ত্রে নজরদারি বাড়াচ্ছে রাজ্য

By Eaibanglai - October 16, 2026
— Advertisement —
Advertisement
৪ হাজার দূষণকারী গাড়ি চিহ্নিতের লক্ষ্য, রিমোট সেন্সিং যন্ত্রে নজরদারি বাড়াচ্ছে রাজ্য


এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে আরও কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য পরিবহণ দপ্তর। কলকাতা, হাওড়া ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে প্রতি মাসে অন্তত ৪ হাজার দূষণকারী গাড়ি চিহ্নিত করার লক্ষ্য নিয়েছে দপ্তর। চলন্ত গাড়ি না থামিয়েই নির্গমনমাত্রা পরীক্ষা করতে সক্ষম মোবাইল রিমোট সেন্সিং ডিভাইস (আরএসডি) ব্যবহার করে এই নজরদারি চালানো হবে।

এই উদ্দেশ্যে আগামী ৩৬ মাসের জন্য আরএসডি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি সংস্থাকে নিয়োগ করতে ই-টেন্ডার ডেকেছে পরিবহণ দপ্তর। প্রয়োজনে আরও এক বছর চুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগও রাখা হয়েছে।

দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, মোবাইল ভ্যানে বসানো এই যন্ত্র প্রতি মাসে অন্তত ২০ দিন নির্দিষ্ট এলাকায় মোতায়েন থাকবে। চলন্ত গাড়ির কার্বন মনোক্সাইড, হাইড্রোকার্বন, কার্বন ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং ধোঁয়ার নির্গমনমাত্রা পরীক্ষা করবে যন্ত্রটি। পেট্রোল, ডিজেল, সিএনজি ও এলপিজি—সব ধরনের গাড়ির ক্ষেত্রেই এই পরীক্ষা হবে। পাশাপাশি গাড়ির নম্বরপ্লেটের ছবি, গতি ও ত্বরণের তথ্যও নথিভুক্ত করা হবে।

সংস্থাকে প্রতি মাসে অন্তত ৪ হাজার নির্ধারিত মানের বেশি দূষণকারী গাড়ি চিহ্নিত করতে হবে। পরীক্ষায় নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করা গাড়ির মালিকদের কাছে ছবি ও নির্গমন সংক্রান্ত তথ্য-সহ নোটিস পাঠানো হবে। সংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক পরিবহণ দপ্তরকেও তার কপি পাঠাতে হবে। পাশাপাশি প্রতিদিন স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় এসএমএসের মাধ্যমেও গাড়ির মালিকদের সতর্কবার্তা পাঠানোর নির্দেশ রয়েছে।

টেন্ডারের শর্ত অনুযায়ী, মাসে ৪ হাজার দূষণকারী গাড়ি চিহ্নিত করতে ব্যর্থ হলে প্রতিটি কম গাড়ির জন্য সংস্থার বিল থেকে ২০ টাকা করে কেটে নেওয়া হবে। আবার মাসে ২০ দিনের কম সময় যন্ত্র মোতায়েন হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে সেই ঘাটতি পূরণ করতে হবে। তা না হলে প্রতি দিনের জন্য মাসিক বিলের ৫ শতাংশ হারে জরিমানা ধার্য করা হবে।

উল্লেখ্য, কলকাতায় এই রিমোট সেন্সিং ব্যবস্থা ২০০৯ সালের নভেম্বর থেকে চালু রয়েছে। এবার সেটিকে আরও সক্রিয়ভাবে কাজে লাগিয়ে দূষণকারী গাড়ির বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করতে চাইছে রাজ্য সরকার।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement