এই বাংলায় দক্ষিণ বাংলা

ভোট চোর’ মন্তব্যে মহুয়াকে রুখল আদালত

By Eaibanglai - October 16, 2026
— Advertisement —
Advertisement
ভোট চোর’ মন্তব্যে মহুয়াকে রুখল আদালত

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্ক ,কলকাতাঃ- ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে ‘ভোট চোর’ বলে নিশানা করার অভিযোগে তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা জারি করল আলিপুর আদালত।। আদালতের নির্দেশ, মনোজের বিরুদ্ধে ওই ধরনের মানহানিকর অভিযোগ নতুন করে পোস্ট, শেয়ার, পুনঃপ্রকাশ বা অন্য কোনও মাধ্যমে প্রচার করতে পারবেন না মহুয়া। গত ৩ ও ৬ অক্টোবর তাঁর করা দু’টি পোস্টও নির্দেশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মুছে ফেলতে হবে।  গত ১৪ অক্টোবর এই নির্দেশ দেন আলিপুরের প্রথম আদালতের সিভিল জজ (সিনিয়র ডিভিশন)। একই সঙ্গে মহুয়াকে নোটিস দিয়ে জানাতে বলা হয়েছে, কেন তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া অন্তর্বর্তী নিষেধাজ্ঞা মামলার পরবর্তী পর্যায়েও বহাল থাকবে না। আগামী ৫ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। আপাতত ওই দিন পর্যন্ত কার্যকর থাকবে নির্দেশ।

আদালতের পর্যবেক্ষণ, মহুয়ার পোস্টে শুধু SIR-এর নীতি বা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করা হয়নি, বরং মুখ্যসচিবের বিরুদ্ধে বেআইনি কাজ করা এবং লক্ষ লক্ষ বৈধ ভোটারকে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত করার অভিযোগ তোলা হয়েছে। অথচ সেই অভিযোগের সমর্থনে কোনও এফআইআর, তদন্তের নথি, আদালতের পর্যবেক্ষণ বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের রিপোর্ট পেশ করতে পারেননি মহুয়া। প্রাথমিক ভাবে তাই অভিযোগগুলির ভিত্তি নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে বলে মনে করেছে আদালত।
নির্দেশে বিচারক স্পষ্ট করেছেন, SIR-এর মতো জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা কিংবা সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনায় কোনও বাধা নেই। কিন্তু সেই সমালোচনার আড়ালে কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ আনা যাবে না। আদালতের বক্তব্য, নিষেধাজ্ঞার ফলে মহুয়ার বৈধ সমালোচনা করার অধিকার খর্ব হচ্ছে না; তিনি SIR-সংক্রান্ত সরকারি সিদ্ধান্তের সমালোচনা করতে পারবেন, তবে ব্যক্তিগত ভাবে মুখ্যসচিবকে মানহানিকর অভিযোগের নিশানা করতে পারবেন না।

মুখ্যসচিবের করা মানহানির মামলায় আদালত আরও জানিয়েছে, অভিযোগগুলি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ায় তাঁর সুনামের ক্ষতি অব্যাহত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। সরকারি কর্মী হিসাবে পরিষেবা-সংক্রান্ত বিধির কারণে মুখ্যসচিব প্রকাশ্যে পাল্টা জবাব দিতে পারেন না—এই বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে আদালত। শুধু আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিয়ে সেই ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয় বলেও পর্যবেক্ষণ বিচারকের। তবে আদালত এটাও স্পষ্ট করেছে, এই পর্যবেক্ষণগুলি মামলার এই পর্যায়ে প্রাথমিক মূল্যায়নের ভিত্তিতে করা হয়েছে। মূল মামলার চূড়ান্ত বিচারে এগুলি আদালতকে বাধ্য করবে না। মহুয়া চাইলে আইন মেনে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পরিবর্তন বা বাতিলের আবেদনও করতে পারবেন।

— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement
— Advertisement —
Advertisement