eaibanglai
Homeএই বাংলায়দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলকে উৎখাতের হুঁশিয়ারি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির

দুর্গাপুর থেকে তৃণমূলকে উৎখাতের হুঁশিয়ারি বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির

নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ- দলের সর্বভারতীয় সভাপতির পদের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম বাংলা সফরে বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নবীন নীতিন। দুদিনের দুর্গাপুর সফরে এসেছেন তিনি। গতকাল শহরে কমল মেলা উদ্বোধনের পর বুধবার চিত্রালয় ময়দানে বিজেপির বর্ধমান বিভাগের কার্যকর্তাদের সম্মেলনে যোগ দেন তিনি। আর এই সম্মেলন থেকে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে উৎখাতের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে তৃণমূলকে নিশানা করে তিনি বলেন “পশ্চিমবঙ্গকে বাংলাদেশ বানানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। একসময় বাংলা গোটা দেশকে দিশা দেখাতো, আর এখন সেই বাংলাকেই আজ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের আমলে এই রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। আইনশৃঙ্খলা একেবারে ভেঙে পড়েছে।” দুর্গাপুরের ধর্ষণ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “এই ঘটনায় তো রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসন অপরাধীদের আড়াল করতেই বেশি ব্যস্ত ছিল। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, সন্ধ্যার পর মহিলাদের বাইরে বেরনোর প্রয়োজন নেই। নারী ক্ষমতায়নের নিরিখে একসময় বাংলা দেশের মধ্যে প্রথম সারিতে ছিলো। আর এখন সেই মাতৃশক্তির উপরই বিধিনিষেধ চাপানোর চেষ্টা চলছে। দিন প্রতিদিন বাংলায় মহিলাদের উপর নির্যাতন ও অত্যাচার বেড়েই চলেছে।”

একই সঙ্গে তিনি দুর্নীতি ও তোলাবাজি নিয়েও রাজ্য সরকারকে আক্রমণ করেন। নিতীন বলেন,”যারা গরীব মানুষের টাকা চুরি করেছে, তারা জামিনে নয়, জেলেই থাকবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। ”

অন্যদিকে এসআইআর নিয়ে কমিশনের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন,”নির্বাচন কমিশন কাউকে হেনস্থা করছে না। বরং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করার কাজ করছে নির্বাচন কমিশন। যাতে ভোটার তালিকা স্বচ্ছ হয়। কিন্তু রাজ্য প্রশাসনের মাধ্যমে এসডিও এবং বিডিও অফিসে হিয়ারিংয়ের নামে ডেকে সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে। অথচ গোটা দায় চাপানো হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের উপর।”

এদিকে প্রথম বাংলা সফরে এসে দালীয় নেতা কর্মীদের প্রতি বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “এবারে বাংলায় লড়াই জিততে হলে সংগঠনের ভিত আরো শক্তিশালী করাই একমাত্র উপায়। বুথ স্তরের সংগঠন মজবুত করতে হবে। রাজ্যের শাসক দলের অরাজকতা ও দুর্নীতির কথা বাংলার মানুষদের ভালো করে বোঝাতে বাড়ি বাড়ি যেতে হবে।”

অন্যদিকে এদিনের সভা থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমিক ভট্টাচার্য ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তৃণমূলকে উৎখাত করতে সবাইকে একজোট হয়ে লড়াই করার ডাক দেন।

এদিনের সভায় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বাংলার ইনচার্জ মঙ্গল পান্ডে, অমিত মালব্য, অমিতাভ চক্রবর্তী সহ একাধিক সাংসদ, বিধায়ক সহ রাজ্য নেতৃত্ব।

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments