সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য আদর্শ কার্যপদ্ধতি (এসওপি) জারি করেছে নবান্ন এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে । এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হলো সিলিন্ডারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং মজুতদারি রোধ করা।
এই নির্দেশিকা জারির পরই তৎপরতা শুরু হয়েছে জেলাগুলিতে। শনিবার আসানসোলের বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহকারী এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটরের অফিস ও গুদামে হানা দিল মহকুমা প্রশাসন ও আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের আধিকারিকদের একটি দল।
এদিন আসানসোলের এসবি গরাই রোড, জিটি রোডের এলআইসি মোড় এবং মুর্গাশোলে এলপিজি ডিস্ট্রিবিউটর অফিস পরিদর্শন করা হয়। এই দলে ছিলেন আসানসোলের এসডিএম বা মহকুমাশাসক (সদর) বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, এসিপি (ইবি বা এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চ ) মহম্মদ হারুন এবং এনফোর্সমেন্ট ব্রাঞ্চের অফিসাররা । পরিদর্শনের সময় আধিকারিকরা গ্যাস সিলিন্ডারের স্টক বা মজুদের পরিমাণ যাচাই করেন। এর পাশাপাশি গ্রাহক ও পরিবেশকদের সাথে কথা বলেন।
মহকুমাশাসক (সদর) এই প্রসঙ্গে বলেন, পরিবেশকদের স্পষ্টভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে কোন অবস্থাতেই হাসপাতাল, স্কুল এবং আইসিডিএস কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহে কোনো ব্যাঘাত যেন না ঘটে। কেউ যেন কৃত্রিম মজুতদারি না করে। এমন কোন অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রসঙ্গতঃ ইরান-আমেরিকা-ইজরায়েল যুদ্ধের আবহে সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর পাশাপাশি ঘরোয়া ও বাণিজ্যিক দুই ধরণের সিলিন্ডারের দাম বাড়ানো হয়েছে এমনকি পরিবর্তন আনা হয়েছে বুকিংয়ের নিয়মেও। যা নিয়ে দেশজুড়ে গ্যাস নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে মানুষের মধ্যে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার ও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে দেশে এলপিজি গ্যাসের যোগানে কোন ঘাটতি নেই।


















