সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- সংসারী মানুষরা সারাদিন নানারকম কাজে ব্যস্ত থাকে, এইসব কাজের মধ্যে জপ তপের সময় পাওয়া যায় না। কিন্তু রোজ নির্দিষ্ট ভাবে দু মিনিট সময় তাকে দিলেও তার কৃপা পাওয়া যায়! কারণ তিনি যে অপার করুণাময়! কীভাবে রোজ দুমিনিট তাকে দিলেও তিনি কৃপা করবেন এই কথা বহুবার বহু মহাত্মা বলেছেন, আজ আমি বলব স্বামী শিবানন্দ মহারাজের কথা।
স্বামী শিবানন্দ মহারাজ বলেছেন, “সংসারের কাজ কি চব্বিশ ঘন্টাই করবে? ভগবানের নাম কি একটু করবে না? যাইহোক যতক্ষণ পারো রোজ নিয়মিতভাবে একটু করা চাই, তা দশ মিনিটই হোক, কি পাঁচ মিনিটই হোক, এমনকি দু চার মিনিট হোক। নিত্য নিয়মিতভাবে করতেই হবে। তবে যেটুকু করবে আন্তরিক করবে প্রাণ থেকে। তাতে কল্যাণ হবে, শান্তি পাবে, চাই আন্তরিকতা। মা অন্তর্যামিনী, তিনি তো সময় দেখেন না, তিনি দেখেন প্রাণ। তাঁর প্রতি তোমার প্রাণের টান কতটা আছে, তাই তিনি দেখবেন।”
প্রার্থনা কেমন ভাবে করতে হবে সেই নিয়েও তিনি বলেছেন, “খুব প্রাণভরে প্রার্থনা করবে, তা যে অবস্থায়ই থাকো, মা, দয়া করো, দয়া করো। তোমার শ্রীপাদপদ্মে ভক্তি বিশ্বাস দাও। ঠাকুর বলতেন যে, গৃহস্থের ডাক ভগবান বড় শোনেন। সংসারীরা একটু ডাকলেই তিনি কৃপা করেন, কারণ তিনিই তো অন্তর্যামী। তিনি বেশ জানেন এদের ঘাড়ে কত বোঝা চাপানো রয়েছে। একটুতেই সংসারীদের উপর তাঁর দয়া হয়। আহা! এদের মাথায় হাজার মণ বোঝা চাপানো রয়েছে তা সরিয়েও তাকে দেখতে চাইছে। তাই অল্পেতেই তিনি গৃহীদের উপর প্রসন্ন হন। তাই বলছি যতক্ষণ পার একটু একটু রোজই ঠাকুরকে ডেকো।”



















