সংবাদদাতা, দুর্গাপুর -: রাজ্যে হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার আগে এখন টানটান উত্তেজনা। এদিকে গণনার আগে দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে বিজেপি শিবিরে তৎপরতা তুঙ্গে। শনিবার রাতে দলীয় প্রার্থী, কাউন্টিং এজেন্ট সহ দলীয় নেতাদের নিয়ে দুর্গাপুরে বেসরকারি হোটেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন সুনীল বানসাল, সতীশ ধন ও ভূপেন্দ্র যাদবরা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান,কাটোয়া,বীরভূম ও বোলপুর মোট চারটি সংগঠনিক জেলা ২৮ জন প্রার্থী, কাউন্টিং এজেন্ট ও দলীয় নেতৃত্বরা। দলীয় সূত্রে দাবি করা হয় তৃণমূল কংগ্রেস হেরে যাচ্ছে বুঝতে পেরে গণনা কেন্দ্রে কারচুপি করতে পারে। আর কারচুপির প্রতিরোধ করতে কি পদক্ষেপ নেওয়া হবে সে বিষয়েই আলোচনা করা হয় এদিনের বৈঠকে।
অন্যদিকে লড়াইয়ের শেষ মুহুর্তে দুর্গাপুরের দুই বিজেপি প্রার্থীকে দেখা গেল রাজনীতির ময়দান ছেড়ে ঈশ্বরের দরবারে দ্বারস্থ হতে। জয়ের ব্যাপারে একপ্রকার নিশ্চিত হলেও, রবিবার সকালে দুর্গাপুর পশ্চিমের প্রার্থী লক্ষ্মণ ঘোরুই এবং দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী চন্দ্রশেখর ব্যানার্জ্জীকে দেখা গেল মন্দিরে মন্দিরে পুজো দিতে।
লক্ষ্মণবাবু এদিন গোপাল মাঠের বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বর্ণাঢ্য পদযাত্রা করে শিবশক্তি ধামে গিয়ে পুজো দেন। সেখানে দেবাদিদেব মহাদেবের মাথায় দুধ ও জল ঢেলে প্রার্থনা করেন তিনি। তবে শুধু শিবশক্তি ধামই নয়, এদিন মায়াবাজারের শিব মন্দির এবং ভিড়িঙ্গি শ্মশান কালী মন্দিরেও পুজো দেন তিনি। পরে প্রার্থী বলেন, “গতবার বিধায়ক হওয়ার পরেও আমার কার্যালয় ভাঙচুর হয়েছিল। এবার বাংলা সেই সন্ত্রাস থেকে মুক্তি পাক, এটাই মহাদেবের কাছে প্রার্থনা।”
অন্যদিকে, দুর্গাপুর পূর্বের প্রার্থী চন্দ্রশেখর ব্যানার্জ্জী কাঁকসার আড়ার প্রাচীন রাঢ়েশ্বর শিব মন্দিরে স্ত্রীকে নিয়ে পুজো দেন। তিনি জানান, “মানুষ আমাদের আশীর্বাদ করেছেন, তাই জয় কেবল সময়ের অপেক্ষা।”
এদিন জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ আত্মবিশ্বাসী দুই প্রার্থীই দাবি করেন, একজিট পোলের পূর্বাভাস এবং মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই জানান দিচ্ছে বিজেপি ক্ষমতায় আসছে।



















