eaibanglai
Homeএই বাংলায়ফাঁড়িতে হামলায় ধৃত ২১, সব ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক

ফাঁড়িতে হামলায় ধৃত ২১, সব ধর্মের প্রতিনিধিদের নিয়ে বিশেষ বৈঠক

সংবাদদাতা, আসানসোল -: আসানসোল উত্তর থানার জাহাঙ্গীর মহল্লা পুলিশ ফাঁড়িতে হামলার ঘটনায় পুলিশ ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে। রবিবার ধৃতদের আসানসোল জেলা আদালতে তোলা হয়। ধৃতেরা রেলপার ছাড়াও পুরনো স্টেশন ও রাঙানিয়া পাড়া এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

​ প্রসঙ্গত, গত শুক্রবার রাতে ধর্মীয় স্থানে মাইকের সরকারি নির্দেশিকাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এরপরই একদল দুষ্কৃতী ফাঁড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস প্রয়োগ করতে হয়। পরে সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে পুলিশ। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি জারি রয়েছে।

​এদিকে এই ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি সাফ জানিয়েছেন, সরকারি সম্পত্তি নষ্টের সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি, ক্ষয়ক্ষতির টাকা অভিযুক্তদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি থেকেই আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

অন্যদিকে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে পুরনো ও সংশোধিত আইন কড়াভাবে কার্যকর করতে রবিবার আসানসোল পুরনিগমের কনফারেন্স হলে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আয়োজন করে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি (সেন্ট্রাল ১) আব্দুল গফফর ও দক্ষিণ থানার আইসি বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্যের উপস্থিতিতে এই বৈঠকে অংশ নেন বিভিন্ন মন্দির, মসজিদ, গির্জা ও গুরুদ্বারের প্রতিনিধিরা।

​প্রশাসনের তরফে স্পষ্ট করে জানানো হয়, সকাল ৬টা থেকে রাত ১০টা এবং রাত ১০টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত শব্দ নিয়ন্ত্রণের যে আইনি নিয়ম রয়েছে, তা সব সম্প্রদায়ের জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য। কোনো নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে টার্গেট করার ভুল ধারণা উড়িয়ে দিয়ে পুলিশ কর্তারা জানান, আইন সবার জন্য এক।

​গুজব ও বিভ্রান্তি এড়াতে এদিন প্রতিনিধিদের বিশেষ যোগাযোগের নম্বর দেওয়া হয়। শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন জানিয়ে এসিপি বলেন, “প্রশাসন কোনো এক পক্ষের নয়, সাধারণ মানুষের জন্য। সবাইকে একসঙ্গে নিয়ে চলাই আমাদের লক্ষ্য।”

RELATED ARTICLES
- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments