নিজস্ব সংবাদদাতা,দুর্গাপুরঃ– তৃণমূল সরকারের পতন হয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি সরকার। এদিকে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দুর্নীতি ও তোলা আদায়ের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে তৃণমূলের বিভিন্ন স্তরের নেতারা গ্রেফতার হচ্ছেন। দুর্গাপুর আসানসোলেও দুর্নীতি ও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের একাধিক নেতা। এই আবহে দুর্গাপুরে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে বাস থেকে তোলা তোলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল।
অভিযোগ মঙ্গলবার বিকেলে বহরমপুর- চিত্তরঞ্জন রুটের একটি বাস দুর্গাপুরের সিটিসেন্টার বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছলে বাসকর্মীদের কাছ থেকে টাকা চান কয়েকজন। বাস কর্মীরা টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় তাদের মারধর করা হয়। ঘটনার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ বাস কর্মীরা ডিএমসি মোড়ে বাস থামিয়ে পথ অবরোধ ও বিক্ষোভ শুরু করেন। বিকেলে ব্যস্ত সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই মোড়ে পথ অবরোধের জেরে তীব্র যানজটের সৃ্ষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় সিটি সেন্টার ফাঁড়ির পুলিশ ও দুজনকে আটক করে পরিস্থিতি সামাল দেয়।
আক্রান্ত বাসকর্মী রাহুল ধীবর বলেন, “বাসস্ট্যান্ডে একজন টাইম কিপার ছিল। সে আচমকাই এসে আমার কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। আমি রুটিন খরচের বাইরে অহেতুক ওই টাকা দিতে অস্বীকার করি। এরপরই ও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং ফোন করে আরও কয়েকজন ছেলেকে ডেকে নেয়। এরপরই ওরা সকলে মিলে আমার ওপর চড়াও হয়, আমাকে মারধর করে গায়ের জামা ছিঁড়ে দেয়। ওরা সবাই তৃণমূল কংগ্রেসের লোক।”
যদিও দুর্গাপুরের তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বের তরফে তোলাবাজি ও মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। দলীয় মুখপাত্রদের দাবি, “এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের দলের দূর-দূরান্তের কোনও সম্পর্ক বা যোগসূত্র নেই। আইন আইনের পথে চলবে। এখন রাজ্যে কোথাও কোনও ছোটখাটো বা ব্যক্তিগত ঝামেলা হলেই, চক্রান্ত করে বিরোধীরা সব কিছুতেই তৃণমূল কংগ্রেসের নাম জড়িয়ে দিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা করছে।”


















