সন্তোষ কুমার মণ্ডল,আসানসোলঃ- রাজ্য়ে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসতেই তোলাবাজি, ভোট-পরবর্তী হিংসা ও দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যজুড়ে একের পর এক তৃণমূল নেতা ও কর্মী গ্রেফতার হচ্ছেন। বাদ নেই পশ্চিম বর্ধমান জেলাও। ইতিমধ্যেই জেলার একাধিক তৃণমূল কংগ্রেস নেতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সম্প্রতি পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভার ব্লক সভাপতি শতদ্বীপ ঘোষ এবং ছোঁড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রামচরিত পাসোয়ান গ্রেফতার হয়েছেন। এই গ্রেফতারির পরই সামাজিক মাধ্যমে সরব হলেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। ভিডিও বার্তায় তিনি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের ঘরছাড়া করা হচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকেই পাণ্ডবেশ্বর সহ গোটা পশ্চিম বর্ধমান জুড়ে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
সামিজক মাধ্যমে পোস্ট করা ভিডিও বার্তায় তৃণমূল জেলা সভাপতি দাবি করেন, রাতের অন্ধকারে পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হুমকি দিচ্ছে এবং বহু কর্মী প্রাণভয়ে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পাশাপাশি প্রশাসনের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “সাধারণ কর্মীদের উপর অত্যাচার না করে আমাকে ডাকুন। কতজন কর্মী নিয়ে থানায় যেতে হবে জানিয়ে দিন, আমরা নিজেরাই পৌঁছে যাব। চাইলে গ্রেফতার করুন, জেলে পাঠান, কিন্তু সাধারণ মানুষকে আর হয়রানি করবেন না।”
ভিডিও বার্তায় তিনি ভোট গণনা নিয়েও গুরুতর অভিযোগ করেন। তার কথায়, “কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের সাহায্য বিজেপি ভোটে কারচুপি করেছে।”
এদিকে ঘনিষ্ঠদের একের পর এক গ্রেফতারের পর তিনি কি নিজের গ্রেফতারেরও আশঙ্কাও করছেন! এই জল্পনা ঘির জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।


















